ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
বুড়িগঙ্গা

তদন্তের দাবি

বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫ লাখ টাকার হিসাব নিয়ে প্রশ্ন



বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫ লাখ টাকার হিসাব নিয়ে প্রশ্ন

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের প্রায় ৫ লাখ টাকার আর্থিক হিসাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপনের সময় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। হিসাবের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক আজহারুল ইসলাম শিপলুর কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হলে অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, তাৎক্ষণিকভাবে সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের একাধিক সূত্রের ভাষ্য, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই অভিযোগটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগের বিষয়ে সহকারী শিক্ষক আজহারুল ইসলাম শিপলু বলেন, “বিষয়টি ভুল-বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। আমার কাছে কিছু টাকা রয়েছে। আগামীকাল ব্যাংকে জমা দিয়ে দেব।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে বলেন, “এ ধরনের কোনো বড় বিষয় নয়। যদি হিসাবে গড়মিল থাকে, তাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এগুলো বিভিন্ন খাত থেকে সংগ্রহ করা অর্থ। সংগ্রহের পর হিসাবভুক্ত করতে কিছু বিলম্ব বা অসঙ্গতি হয়ে থাকতে পারে।”

সহকারী শিক্ষকের কাছে বিদ্যালয়ের অর্থ কেন ছিল—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য আমি তাঁর কাছে টাকা দিয়েছিলাম। সেখানে কিছু ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। খুব দ্রুত হিসাবটি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে আলোচনা চলছে। তাদের দাবি, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হলে সব ধরনের বিভ্রান্তির অবসান হবে এবং বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রতি সবার আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

বুড়িগঙ্গা

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬


বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫ লাখ টাকার হিসাব নিয়ে প্রশ্ন

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

featured Image


সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের প্রায় ৫ লাখ টাকার আর্থিক হিসাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপনের সময় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। হিসাবের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক আজহারুল ইসলাম শিপলুর কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হলে অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, তাৎক্ষণিকভাবে সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের একাধিক সূত্রের ভাষ্য, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই অভিযোগটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগের বিষয়ে সহকারী শিক্ষক আজহারুল ইসলাম শিপলু বলেন, “বিষয়টি ভুল-বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। আমার কাছে কিছু টাকা রয়েছে। আগামীকাল ব্যাংকে জমা দিয়ে দেব।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে বলেন, “এ ধরনের কোনো বড় বিষয় নয়। যদি হিসাবে গড়মিল থাকে, তাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এগুলো বিভিন্ন খাত থেকে সংগ্রহ করা অর্থ। সংগ্রহের পর হিসাবভুক্ত করতে কিছু বিলম্ব বা অসঙ্গতি হয়ে থাকতে পারে।”

সহকারী শিক্ষকের কাছে বিদ্যালয়ের অর্থ কেন ছিল—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য আমি তাঁর কাছে টাকা দিয়েছিলাম। সেখানে কিছু ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। খুব দ্রুত হিসাবটি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে আলোচনা চলছে। তাদের দাবি, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হলে সব ধরনের বিভ্রান্তির অবসান হবে এবং বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রতি সবার আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।


বুড়িগঙ্গা

Buriganga Television is committed to delivering research-based, 
fact-driven, and impartial journalism on the geopolitical economy of the 
Indo-Pacific and the future of humanity to audiences worldwide.

Whatsapp: +8801321780900
Email: burigongatv@gmail.com
Newsroom: newsroom@burigongatv.com

স্বত্ব © বুড়িগঙ্গা মিডিয়া সেন্টার
বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫ লাখ টাকার হিসাব নিয়ে প্রশ্ন
0:00 0:00
1.0x