ঢাকা    রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
বুড়িগঙ্গা
দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: ভিয়েনা কনভেনশন লঙ্ঘন করেছে সৌদি আরব?

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: ভিয়েনা কনভেনশন লঙ্ঘন করেছে সৌদি আরব?

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর তাদের আটক, বিচার ও শাস্তি কার্যকরের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ। দেশটির কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দূতাবাসকে আগে থেকে কিছু না জানানোর অভিযোগ ওঠায় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক কনস্যুলার বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে কি না। মক্কার একটি মসজিদে ‘অনৈতিক’ কাজের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ওই দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে সৌদি আরবের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। তবে তাদের বিচারপ্রক্রিয়া, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং কনস্যুলার সহায়তা পাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো বাংলাদেশের হাতে নেই। বিবিসি বাংলা এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ঘটনার খবর জানার পর বৃহস্পতিবার জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। বাংলাদেশের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর দাবি, ওই দুই ব্যক্তির আটক, বিচার ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে আগে থেকে বাংলাদেশ মিশনকে কিছু জানানো হয়নি। ভিয়েনা কনভেনশনে কী বলা আছে? আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে এ বিষয়ে ভিন্নমত রয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ড. রায়হান রশীদের মতে, বিদেশে আটক কোনো নাগরিকের কনস্যুলার সহায়তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। আটক ব্যক্তিকে তার দেশের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে প্রমাণ থাকার কথা। তিনি আরও বলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে দীর্ঘ বিচার ও আপিলপ্রক্রিয়া চলার কথা। তাই বাংলাদেশ দূতাবাসের বিষয়টি জানার সুযোগ থাকা উচিত ছিল। তবে আটক ব্যক্তি কনস্যুলার সহায়তা নিতে না চাইলে বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে। ব্র্যাকের অভিবাসন বিভাগের প্রধান শরীফুল হাসান মনে করেন, দুই বাংলাদেশির আটক ও বিচার সম্পর্কে দূতাবাসকে না জানিয়ে সৌদি আরব ভিয়েনা কনভেনশন লঙ্ঘন করেছে। তার প্রশ্ন, অন্য কোনো দেশের নাগরিকের ক্ষেত্রে সৌদি কর্তৃপক্ষ একই আচরণ করত কি না। তবে সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরের বক্তব্য ভিন্ন। তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, বিদেশি নাগরিকের বিচার সংশ্লিষ্ট দেশের অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ। এ ক্ষেত্রে দূতাবাসকে অবহিত করার বাধ্যবাধকতা সব পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য কি না, তা নির্ভর করে ঘটনার বিস্তারিত তথ্যের ওপর। বাংলাদেশ ব্যাখ্যা চাইলে সৌদি আরব জবাব দিতে পারে, তবে জবাব দিতে আইনগতভাবে বাধ্য কি না, তা স্পষ্ট নয়। ভিয়েনা কনভেনশন অন কনস্যুলার রিলেশনসের ৩৬ অনুচ্ছেদে বিদেশে আটক ব্যক্তির কনস্যুলার যোগাযোগ ও সহায়তার অধিকার নিয়ে বিধান রয়েছে। তবে এ বিধানের প্রয়োগ, আটক ব্যক্তিকে কীভাবে তার অধিকার জানানো হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা যাচাই না করে এ ঘটনায় চূড়ান্তভাবে কনভেনশন লঙ্ঘনের সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন। মরদেহ দেশে ফেরানো নিয়ে অনিশ্চয়তা দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর তাদের মরদেহ কোথায় রয়েছে এবং বাংলাদেশে পাঠানো হবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাতে বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো বাংলাদেশকে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি। ফলে মরদেহ কবে নাগাদ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। সাধারণত পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে দূতাবাস মরদেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। কিন্তু এ ঘটনায় পরিবার ও বাংলাদেশ মিশনের সঙ্গে সৌদি কর্তৃপক্ষের যোগাযোগের বিষয়টিই এখনো পরিষ্কার নয়। এ ছাড়া ওই দুই বাংলাদেশির পরিচয়, বিচারপ্রক্রিয়া এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য না পাওয়ায় তাদের আইনি অধিকার যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়েছিল কি না, সে প্রশ্নও রয়ে গেছে। বাংলাদেশের চাওয়া ব্যাখ্যায় সৌদি কর্তৃপক্ষ কী জানায়, তার ওপরই এখন পরিস্থিতির আরও স্পষ্ট চিত্র পাওয়া নির্ভর করছে।
১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮ পিএম

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, দাবি পূরণে প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি

উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, দাবি পূরণে প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি

অযোগ্য নেতা নিয়ে উক্তি ,স্ট্যাটাস,বাণী।কুরআন হাদিছের আলোকে

অযোগ্য নেতা নিয়ে উক্তি ,স্ট্যাটাস,বাণী।কুরআন হাদিছের আলোকে

আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ, ফজিলত সহীহ হাদিস অনুযায়ী

আয়াতুল কুরসি বাংলা উচ্চারণ, ফজিলত সহীহ হাদিস অনুযায়ী

গ্রামীণফোনের শ্রমিক নিপীড়নের প্রতিবাদে মানববন্ধন: ৫% বিলম্ব বকেয়া পরিশোধের দাবী

গ্রামীণফোনের শ্রমিক নিপীড়নের প্রতিবাদে মানববন্ধন: ৫% বিলম্ব বকেয়া পরিশোধের দাবী

জবিতে ১৯ পদে ২৮ জন নিয়োগ, আবেদন ১০ অক্টোবর পর্যন্ত

জবিতে ১৯ পদে ২৮ জন নিয়োগ, আবেদন ১০ অক্টোবর পর্যন্ত

ভ্রমণ নিয়ে ইসলামিক উক্তি ,স্ট্যাটাস,বাণী।কুরআন হাদিছের আলোকে

ভ্রমণ নিয়ে ইসলামিক উক্তি ,স্ট্যাটাস,বাণী।কুরআন হাদিছের আলোকে

ভালোবাসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি,স্ট্যাটাস,বাণী।কুরআন হাদিছের আলোকে

ভালোবাসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি,স্ট্যাটাস,বাণী।কুরআন হাদিছের আলোকে

মাছরাঙা টিভির ইনস্টাগ্রাম হ্যাকের দাবি, পরিমনি মেহজাবিনের আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে উদ্বেগ

মাছরাঙা টিভির ইনস্টাগ্রাম হ্যাকের দাবি, পরিমনি মেহজাবিনের আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে উদ্বেগ

রাজধানীতে মাদার তেরেসা শান্তি পুরস্কার ২০২৬ প্রদান

রাজধানীতে মাদার তেরেসা শান্তি পুরস্কার ২০২৬ প্রদান

মৃতপ্রায় কাঁচামাটিয়া নদীতে স্বস্তির হাওয়া

মৃতপ্রায় কাঁচামাটিয়া নদীতে স্বস্তির হাওয়া



ভেষজ উৎপাদনে ১৬ গ্রামের মানুষের ভাগ্যবদল

দেশের একমাত্র ঔষধি পল্লী হিসেবে পরিচিত নাটোরের লক্ষ্মীপুর-খোলাবাড়িয়া জেলার এক অনন্য ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা এই পল্লীতে আসছেন এবং মুগ্ধতা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। নাটোর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর-খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামজুড়ে এই ভেষজ পল্লীর অবস্থান। ছবির মতো সুন্দর এই পল্লীতে বছরে শুধু অ্যালোভেরাই উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ১৫ হাজার টন। এছাড়া শিমুল মূল, অশ্বগন্ধাসহ ১৪০ ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ উৎপাদন হয়, যার মোট বাজার মূল্য অন্তত শত কোটি টাকা। চারপাশে মাঠের পর মাঠ সবুজ অ্যালোভেরা। তার পাশের জমিতে চাষ হচ্ছে শতমূল, ঘৃতকাঞ্চন, মিছরিদানা, আলকুশি, অশ্বগন্ধা ও রোজেলা। প্রতিটি বাড়ির উঠানের আঙিনায় রয়েছে নানা প্রজাতির ঔষুধি উদ্ভিদ। এসব উদ্ভিদ উৎপাদন করে দেশের একমাত্র ঔষুধি পল্লী হিসেবে ঐতিহ্য অর্জন করেছে নাটোরের লক্ষ্মীপুর ও খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের মানুষরা।  সবার কাছে ‘ঔষুধি গ্রাম’ নামে সুপরিচিত এ পল্লী। এখানকার ১৬ গ্রামে চাষ হয় ১৫০ পদের ভেষজ ঔষুধি উদ্ভিদ। আর এসব ভেষজ উদ্ভিদ বাজারজাতকরণে এখানে গড়ে উঠেছে শতাধিক ভেষজ দোকান। ভেষজ উৎপাদন ও বিক্রির সঙ্গে এখানকার যুবকরা বেকারত্বকে দূরে সরিয়ে ভেষজ বিপ্লব ঘটিয়ে বদলেছেন নিজেদের ভাগ্য। এ বিপ্লবের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বছরে এসেছে শত কোটি টাকা। ভেষজ উৎপাদন, বাজারজাত, পরিবহন কাজে এলাকার ১০ হাজার মানুষ সম্পৃক্ত রয়েছে। নাটোর কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই এলাকায় প্রায় ১৫৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয় ভেষজ উদ্ভিদের। যার মধ্যে ৭৫ হেক্টর জমিতেই শুধুমাত্র চাষ হয় অ্যালোভেরা। প্রতি বছরে প্রায় ১৫ হাজার মেট্রিকটন অ্যালোভেরা উৎপাদন হয় এখানে। শিমুলমূল চাষ হয় ৫০ হেক্টর জমিতে। বাকি ৩০ হেক্টর জমিতে করা হয় বিভিন্ন ভেষজ ঔষুধ। এখানকার অ্যালোভেরা প্রতিদিন ট্রাকযোগে চলে যায় দেশের বিভিন্ন জেলাতে। ঔষুধ, প্রসাধন, জুস ও শরবত তৈরিতে প্রধান উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয় এ অ্যালোভেরা। ময়মনসিংহের ভালুকাতে জুস তৈরির একটি কারখানা অ্যালোভেরার বড় ক্রেতা। এসব প্রতিষ্ঠানে পল্লীর ভেষজ গাছ থেকে উৎপাদিত ঔষুধ ও প্রসাধনী রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও। বছরে ১০০ কোটি টাকার ভেষজ ঔষুধ বিক্রি হয় এই পল্লী থেকে। এই ঔষুধি গ্রামের মূল নায়ক কবিরাজ আফাজ উদ্দিন পাগলা। ১৯৯৫ সালের দিকে খোলাবাড়িয়া নিজ বসতবাড়িতে শুরু করেন ভেষজ ঔষুধ চাষ। নিজের বসতবাড়ির আশপাশে রোপণ করেন নানা জাতের ভেষজ। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব ভেষজ উদ্ভিদ সংগ্রহ করতেন তিনি। তার হাত ধরেই গ্রামের পর গ্রাম ছড়িয়েছে এ ভেষজ চাষ। তার কাছ থেকে এলাকার মানুষ উদ্বুদ্ধ হয়ে ভেষজ উৎপাদন শুরু করেন। এখন দুই ইউনিয়নের ১৬ গ্রামে চাষ হয় এসব ভেষজ। ওই এলাকার প্রধান অর্থকরী ফসলে রুপ নিয়েছে এটি। এক সময়ে অভাব ও দারিদ্র্যে থাকা পল্লীর পরিবারে ফিরেছে সচ্ছলতা। ভেষজ চাষে পাল্টে গেছে পুরো এলাকার চিত্র। ইব্রাহিমপুর, নতুনবাজার, হাজীগঞ্জ, আমিরগঞ্জ, গাবতলী, লক্ষীপুর গ্রামের প্রতিটি বাড়ির আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে-ঘৃতকাঞ্চন, শতমূলী, শিমুল, মিসরি দানা, ভুঁইকুমড়া, আলকুচি, বাসক, তুলসী, হরিতকী, বহেরা, তেলাকুচ, কেশরাজ, ধুতরা, পুদিনা, যষ্টিমধু, নিম, অর্জুন, ওলটকম্বল, লজ্জাবতী, হস্তী পলাশ, নিশিন্দা, রাজকণ্ঠ, নীলকণ্ঠ, হিমসাগর, দুধরাজ, ঈশ্বর মূল, রাহু চান্দাল, রক্ত চান্দাল, ভাই চান্দাল, বোন চান্দাল, ভুঁইকুমড়া, আমরুল, কেয়ামূলসহ শত রকমের ঔষধি গাছ। সেই আফাজ উদ্দিন পাগলার ছোট প্রচেষ্টা আজ দেশের একমাত্র ভেষজ পল্লী হিসেবে গড়ে উঠেছে। আফাজ উদ্দিনের মৃত্যু হলেও তার দেখানো পথ অনুসরণে পুরো এলাকায় মানুষের ভাগ্য পাল্টেছে। রোজেলা চাষি শহিদুল ইসলাম জানান, ২০১৭ সালে প্রথম আমি রোজেলা চাষ শুরু করি। এ বছর ২ একর জমি চাষ করেছি। আমার এ চাষ দেখে স্থানীয় অনেক কৃষক উদ্বুদ্ধ হয়ে চাষ করেছেন। হাফিজুল ইসলাম নামে আরেক চাষি জানান, ১০ বছর থেকে অ্যালোভেরা চাষ করছি। অ্যালোভেরা চাষ অনেক লাভজনক। সঠিক পরিচর্যা করলে অ্যালোভেরার ফলন ভালো হয়। বছরে ১ বিঘা জমি থেকে ৩০ হাজার টাকা লাভ থাকে। আমাদের পুরো এলাকায় কম বেশি অ্যালোভেরা চাষ হয়। অনেক ব্যবসায়ী জমি থেকে অ্যালোভেরা কিনে নিয়ে ঢাকায় বিক্রি করেন। ভেষজ চাষি রুস্তম আলী জানান, সর্বপ্রথম আমাদের এলাকায় ভেষজ ঔষুধ চাষ শুরু করেন আফাজ উদ্দিন। তার মাধ্যমে সবাই এ চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। পুরো এলাকার মানুষ এ পেশায় যুক্ত। অনেক কৃষক এ ভেষজ চাষ করে হয়েছেন স্বাবলম্বী, অনেক পরিবারে সচ্ছলতা এসেছে। এই এলাকায় অ্যালোভেরা চাষ বেশি হয়ে থাকে। অ্যালোভেরা চাহিদা অনেক। পাশাপাশি দিনে দিনে রোজেলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন অনেক কৃষক। লক্ষ্মীপুর বাজারের ভেষজ পণ্য ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন জানান, আমাদের নিজস্ব উৎপাদিত ভেষজ উদ্ভিদ প্রক্রিয়াজাত করে পাউডার ও হালুয়া তৈরি করি। এসব ভেষজ পণ্য শরীরের দুর্বলতা, পেটের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগ নিরাময় করে। প্রাকৃতিক উপায়ে এসব ভেষজ পাউডার সারাদেশে বিক্রি করি। চাহিদা অনেক, ফলে প্রতিদিন ব্যবসায়ীরা কিনতে আসেন। আমার মতো এলাকার অসংখ্য মানুষ এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাবিবুল ইসলাম বলেন, ভেষজ উদ্ভিদ চাষ করে ১৫/১৬ গ্রামের ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এখানকার চাষকৃত ঔষুধ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যায়। বিশেষ করে অ্যালোভেরা প্রচুর উৎপাদন হয়ে থাকে। এটা কাঁচামাল হিসেবে শরবতের খুব জনপ্রিয়। ভেষজ উদ্ভিদ সংরক্ষণে গবেষণা ও কৃষকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হলে উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। বিডি প্রতিদিন/এমআই

ভেষজ উৎপাদনে ১৬ গ্রামের মানুষের ভাগ্যবদল
২৫ জুলাই ২০২৬, ১১:২৭ এএম
"ভারতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন কি আপনার কাছে যৌক্তিক মনে হয়?"

"ভারতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন কি আপনার কাছে যৌক্তিক মনে হয়?"

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন