ঢাকা    শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুড়িগঙ্গা

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক কারবারির প্রকাশ্যে চলাফেরা, জনমনে ক্ষোভ



স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক কারবারির প্রকাশ্যে চলাফেরা, জনমনে ক্ষোভ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী গোদাগাড়ীর মেডিকেল পূর্বপাড়ার কালু ও দুরুলের প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অদৃশ্য কারণে প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় সাধারণ মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সাথে জড়িত থাকলেও আইনের আওতায় আসছে না এই দুই ব্যক্তি। বরং তারা প্রকাশ্যে চলাফেরা করে এলাকায় মাদকের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কারবারি দুরুলের বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩টি মামলা রয়েছে। একাধিকবার গ্রেফতার হয়ে জামিনে বের হয়ে ফের মাদক ব্যবসায় জড়িয়েছেন তিনি। মাদক বিক্রির টাকায় তিনি গড়েছেন আলিশান বাড়ি। বাড়ির সামনেই রয়েছে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি। এছাড়াও তার নামে বেনামে ৮ থেকে ১০ বিঘা ধানী জমি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অপরদিকে তালিকাভুক্ত আরেক কারবারি কালুও মাদক কারবারে পিছিয়ে নেই। মেডিকেল পূর্বপাড়ায় তিন ভাইয়ের নামে গড়ে তুলেছেন ৩টি বহুতল বাড়ি। পাশাপাশি রয়েছে ২০ বিঘা ধানী জমি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। যুবসমাজ ধ্বংস করছে। অথচ পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে আমাদের সন্তানরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।” 

স্থানীয়রা বলেন, তাদের দৃশ্যমান ব্যবসা না থাকলেও চলেন রাজা বাদশার মতো। তাদের আয়ের উৎস বলতে ধানী জমি ছাড়া অন্য কিছুই নাই। 

অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

এ বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি বলেন, “তালিকাভুক্তদের বিষয়ে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তথ্য পাওয়া মাত্রই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।”

মাদক নির্মূলে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক কারবারির প্রকাশ্যে চলাফেরা, জনমনে ক্ষোভ

রাজশাহী প্রতিনিধি:-  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী গোদাগাড়ীর মেডিকেল পূর্বপাড়ার কালু ও দুরুলের প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অদৃশ্য কারণে প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় সাধারণ মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সাথে জড়িত থাকলেও আইনের আওতায় আসছে না এই দুই ব্যক্তি। বরং তারা প্রকাশ্যে চলাফেরা করে এলাকায় মাদকের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কারবারি দুরুলের বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩টি মামলা রয়েছে। একাধিকবার গ্রেফতার হয়ে জামিনে বের হয়ে ফের মাদক ব্যবসায় জড়িয়েছেন তিনি। মাদক বিক্রির টাকায় তিনি গড়েছেন আলিশান বাড়ি। বাড়ির সামনেই রয়েছে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি। এছাড়াও তার নামে বেনামে ৮ থেকে ১০ বিঘা ধানী জমি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অপরদিকে তালিকাভুক্ত আরেক কারবারি কালুও মাদক কারবারে পিছিয়ে নেই। মেডিকেল পূর্বপাড়ায় তিন ভাইয়ের নামে গড়ে তুলেছেন ৩টি বহুতল বাড়ি। পাশাপাশি রয়েছে ২০ বিঘা ধানী জমি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। যুবসমাজ ধ্বংস করছে। অথচ পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে আমাদের সন্তানরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।” 

স্থানীয়রা বলেন, তাদের দৃশ্যমান ব্যবসা না থাকলেও চলেন রাজা বাদশার মতো। তাদের আয়ের উৎস বলতে ধানী জমি ছাড়া অন্য কিছুই নাই। 

অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

এ বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি বলেন, “তালিকাভুক্তদের বিষয়ে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তথ্য পাওয়া মাত্রই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।”

মাদক নির্মূলে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

বুড়িগঙ্গা

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক কারবারির প্রকাশ্যে চলাফেরা, জনমনে ক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী গোদাগাড়ীর মেডিকেল পূর্বপাড়ার কালু ও দুরুলের প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অদৃশ্য কারণে প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় সাধারণ মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।


স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সাথে জড়িত থাকলেও আইনের আওতায় আসছে না এই দুই ব্যক্তি। বরং তারা প্রকাশ্যে চলাফেরা করে এলাকায় মাদকের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কারবারি দুরুলের বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩টি মামলা রয়েছে। একাধিকবার গ্রেফতার হয়ে জামিনে বের হয়ে ফের মাদক ব্যবসায় জড়িয়েছেন তিনি। মাদক বিক্রির টাকায় তিনি গড়েছেন আলিশান বাড়ি। বাড়ির সামনেই রয়েছে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি। এছাড়াও তার নামে বেনামে ৮ থেকে ১০ বিঘা ধানী জমি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


অপরদিকে তালিকাভুক্ত আরেক কারবারি কালুও মাদক কারবারে পিছিয়ে নেই। মেডিকেল পূর্বপাড়ায় তিন ভাইয়ের নামে গড়ে তুলেছেন ৩টি বহুতল বাড়ি। পাশাপাশি রয়েছে ২০ বিঘা ধানী জমি।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। যুবসমাজ ধ্বংস করছে। অথচ পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে আমাদের সন্তানরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।” 

স্থানীয়রা বলেন, তাদের দৃশ্যমান ব্যবসা না থাকলেও চলেন রাজা বাদশার মতো। তাদের আয়ের উৎস বলতে ধানী জমি ছাড়া অন্য কিছুই নাই। 

অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 


এ বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি বলেন, “তালিকাভুক্তদের বিষয়ে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তথ্য পাওয়া মাত্রই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।”


মাদক নির্মূলে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক কারবারির প্রকাশ্যে চলাফেরা, জনমনে ক্ষোভ


রাজশাহী প্রতিনিধি:-  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী গোদাগাড়ীর মেডিকেল পূর্বপাড়ার কালু ও দুরুলের প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অদৃশ্য কারণে প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় সাধারণ মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।


স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সাথে জড়িত থাকলেও আইনের আওতায় আসছে না এই দুই ব্যক্তি। বরং তারা প্রকাশ্যে চলাফেরা করে এলাকায় মাদকের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কারবারি দুরুলের বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩টি মামলা রয়েছে। একাধিকবার গ্রেফতার হয়ে জামিনে বের হয়ে ফের মাদক ব্যবসায় জড়িয়েছেন তিনি। মাদক বিক্রির টাকায় তিনি গড়েছেন আলিশান বাড়ি। বাড়ির সামনেই রয়েছে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি। এছাড়াও তার নামে বেনামে ৮ থেকে ১০ বিঘা ধানী জমি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


অপরদিকে তালিকাভুক্ত আরেক কারবারি কালুও মাদক কারবারে পিছিয়ে নেই। মেডিকেল পূর্বপাড়ায় তিন ভাইয়ের নামে গড়ে তুলেছেন ৩টি বহুতল বাড়ি। পাশাপাশি রয়েছে ২০ বিঘা ধানী জমি।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। যুবসমাজ ধ্বংস করছে। অথচ পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে আমাদের সন্তানরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।” 

স্থানীয়রা বলেন, তাদের দৃশ্যমান ব্যবসা না থাকলেও চলেন রাজা বাদশার মতো। তাদের আয়ের উৎস বলতে ধানী জমি ছাড়া অন্য কিছুই নাই। 

অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 


এ বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি বলেন, “তালিকাভুক্তদের বিষয়ে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তথ্য পাওয়া মাত্রই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।”


মাদক নির্মূলে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।


বুড়িগঙ্গা

Buriganga Television is committed to delivering research-based, 
fact-driven, and impartial journalism on the geopolitical economy of the 
Indo-Pacific and the future of humanity to audiences worldwide.

Whatsapp: +8801321780900
Email: burigongatv@gmail.com
Newsroom: newsroom@burigongatv.com

স্বত্ব © বুড়িগঙ্গা মিডিয়া সেন্টার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক কারবারির প্রকাশ্যে চলাফেরা, জনমনে ক্ষোভ
0:00 0:00
1.0x