ঢাকা    শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
বুড়িগঙ্গা

বিয়ের মাত্র ১৬ দিনের মাথায় সড়কে ঝরে গেল সৌদি প্রবাসীর প্রাণ, হাসপাতালে নববধূ



বিয়ের মাত্র ১৬ দিনের মাথায় সড়কে ঝরে গেল সৌদি প্রবাসীর প্রাণ, হাসপাতালে নববধূ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনায় বিয়ের মাত্র ১৬ দিনের মাথায় প্রাণ হারিয়েছেন সৌদি প্রবাসী মো. ইয়ামিন ভূইয়া (৩০)। একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার নববধূ সুমা আক্তার, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ভাদুঘর এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত ইয়ামিন সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিজেশ্বর গ্রামের মো. আবুল বাশারের ছেলে। আহত সুমা আক্তার পাশের মাছিহাতা ইউনিয়নের আটলা গ্রামের বাসিন্দা।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় মুঠোফোনে ইয়ামিন ও সুমার বিয়ে হয়। পরে দেশে ফিরে গত ১৭ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে নববধূকে ঘরে তোলেন ইয়ামিন।

 নতুন সংসারের সুখ-স্বপ্ন নিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবন শুরু হলেও তা স্থায়ী হয় মাত্র ১৬ দিন।

সোমবার বিকেলে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে অটোরিকশাযোগে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন তারা। পথে ভাদুঘর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে চাপা দিলে দুজনই গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইয়ামিনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সুমা আক্তার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্বজনরা জানান, বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে ইয়ামিন দেশে ফিরে একটি সুন্দর সংসার গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের আগেই এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তার জীবনাবসান ঘটে। অন্যদিকে বিয়ের মাত্র ১৬ দিনের মাথায় স্বামীকে হারিয়ে শোকাহত সুমা এখন হাসপাতালের বেডে জীবন-মৃত্যুর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শাহজাদপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ‎ ‎​মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী ‎সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ ‎ ‎সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার রতনকান্দি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সদ্য অবসরে যাওয়া প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে নানা আর্থিক অনিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সরিয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ​এই বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন বিদ্যালয়ের জমিদাতা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে  উপজেলা মাধ্যমিক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তাকে। ‎​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,গত ৩১ আগস্ট তদন্তের অংশ হিসেবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে বিভিন্ন নথিপত্র ও আর্থিক হিসাব-নিকাশ পর্যালোচনা করেছেন। উল্লেখ্য,ওই দিনই ছিলো প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়ার কর্মজীবনের শেষ কর্মদিবস। ‎​তদন্তের সময় প্রয়োজনীয় হিসাব-নিকাশ ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র উপস্থাপনের জন্য প্রধান শিক্ষক ১০ দিনের সময় চেয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে হিসাব যাচাই করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ​অভিযোগকারীদের দাবি,সরেজমিনে যাচাইয়ের সময় বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নানা অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। বিষয় গুলো বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ​এই দিকে অবসরে যাওয়ার মুহূর্তে বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথিপত্র সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে মোঃ গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে। তবে ঠিক কোন কোন নথিপত্র নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর বর্তমান অবস্থান কী এবং কী উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে—এই সব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ‎​তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেছেন,"আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুলো সত্য নয়। আমি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব হিসাব- নিকাশ ও কাগজপত্র কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করব।" নথিপত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। ‎​বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সাদিকুল ইসলাম বলেছেন,"আমরা মিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলাম। সে সময় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়া অন্য নথির কথা বলে তাঁর ছেলে ও আরো একজন কে সঙ্গে নিয়ে স্কুলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে গেছেন।"এই বিষয়ে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানিয়েছেন,"অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। আর্থিক হিসাব-নিকাশ দাখিলের জন্য অভিযুক্ত শিক্ষক ১০ দিন সময় নিয়েছেন। পুরো হিসাব দাখিল না করায় তাঁকে এখনো চূড়ান্ত ছাড়পত্র অব্যাহতি দেওয়া হয়নি।"​ বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে,মোঃ গোলাম কিবরিয়া ২০১৩ সালে রতনকান্দি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। চলতি বছরের ৩১ আগস্ট ছিলো তাঁর কর্মজীবনের শেষ দিন। অবসর গ্রহণের ঠিক শেষ মুহূর্তে আর্থিক অনিয়ম ও নথি গায়েবের অভিযোগ ওঠায় পুরো এলাকা জুড়ে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন ও সৃষ্টি হয়েছে।

শাহজাদপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ‎ ‎​মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী ‎সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ ‎ ‎সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার রতনকান্দি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সদ্য অবসরে যাওয়া প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে নানা আর্থিক অনিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সরিয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ​এই বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন বিদ্যালয়ের জমিদাতা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে  উপজেলা মাধ্যমিক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তাকে। ‎​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,গত ৩১ আগস্ট তদন্তের অংশ হিসেবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে বিভিন্ন নথিপত্র ও আর্থিক হিসাব-নিকাশ পর্যালোচনা করেছেন। উল্লেখ্য,ওই দিনই ছিলো প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়ার কর্মজীবনের শেষ কর্মদিবস। ‎​তদন্তের সময় প্রয়োজনীয় হিসাব-নিকাশ ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র উপস্থাপনের জন্য প্রধান শিক্ষক ১০ দিনের সময় চেয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে হিসাব যাচাই করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ​অভিযোগকারীদের দাবি,সরেজমিনে যাচাইয়ের সময় বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নানা অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। বিষয় গুলো বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ​এই দিকে অবসরে যাওয়ার মুহূর্তে বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথিপত্র সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে মোঃ গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে। তবে ঠিক কোন কোন নথিপত্র নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর বর্তমান অবস্থান কী এবং কী উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে—এই সব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ‎​তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেছেন,"আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুলো সত্য নয়। আমি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব হিসাব- নিকাশ ও কাগজপত্র কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করব।" নথিপত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। ‎​বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সাদিকুল ইসলাম বলেছেন,"আমরা মিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলাম। সে সময় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়া অন্য নথির কথা বলে তাঁর ছেলে ও আরো একজন কে সঙ্গে নিয়ে স্কুলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে গেছেন।"এই বিষয়ে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানিয়েছেন,"অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। আর্থিক হিসাব-নিকাশ দাখিলের জন্য অভিযুক্ত শিক্ষক ১০ দিন সময় নিয়েছেন। পুরো হিসাব দাখিল না করায় তাঁকে এখনো চূড়ান্ত ছাড়পত্র অব্যাহতি দেওয়া হয়নি।"​ বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে,মোঃ গোলাম কিবরিয়া ২০১৩ সালে রতনকান্দি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। চলতি বছরের ৩১ আগস্ট ছিলো তাঁর কর্মজীবনের শেষ দিন। অবসর গ্রহণের ঠিক শেষ মুহূর্তে আর্থিক অনিয়ম ও নথি গায়েবের অভিযোগ ওঠায় পুরো এলাকা জুড়ে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন ও সৃষ্টি হয়েছে।

বুড়িগঙ্গা

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিয়ের মাত্র ১৬ দিনের মাথায় সড়কে ঝরে গেল সৌদি প্রবাসীর প্রাণ, হাসপাতালে নববধূ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম


ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনায় বিয়ের মাত্র ১৬ দিনের মাথায় প্রাণ হারিয়েছেন সৌদি প্রবাসী মো. ইয়ামিন ভূইয়া (৩০)। একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার নববধূ সুমা আক্তার, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ভাদুঘর এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। 


নিহত ইয়ামিন সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিজেশ্বর গ্রামের মো. আবুল বাশারের ছেলে। আহত সুমা আক্তার পাশের মাছিহাতা ইউনিয়নের আটলা গ্রামের বাসিন্দা।


পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় মুঠোফোনে ইয়ামিন ও সুমার বিয়ে হয়। পরে দেশে ফিরে গত ১৭ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে নববধূকে ঘরে তোলেন ইয়ামিন।

 নতুন সংসারের সুখ-স্বপ্ন নিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবন শুরু হলেও তা স্থায়ী হয় মাত্র ১৬ দিন।


সোমবার বিকেলে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে অটোরিকশাযোগে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন তারা। পথে ভাদুঘর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে চাপা দিলে দুজনই গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইয়ামিনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সুমা আক্তার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


স্বজনরা জানান, বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে ইয়ামিন দেশে ফিরে একটি সুন্দর সংসার গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের আগেই এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তার জীবনাবসান ঘটে। অন্যদিকে বিয়ের মাত্র ১৬ দিনের মাথায় স্বামীকে হারিয়ে শোকাহত সুমা এখন হাসপাতালের বেডে জীবন-মৃত্যুর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।


এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


বুড়িগঙ্গা

Buriganga Television is committed to delivering research-based, 
fact-driven, and impartial journalism on the geopolitical economy of the 
Indo-Pacific and the future of humanity to audiences worldwide.

Whatsapp: +8801321780900
Email: burigongatv@gmail.com
Newsroom: newsroom@burigongatv.com

স্বত্ব © বুড়িগঙ্গা মিডিয়া সেন্টার
বিয়ের মাত্র ১৬ দিনের মাথায় সড়কে ঝরে গেল সৌদি প্রবাসীর প্রাণ, হাসপাতালে নববধূ
0:00 0:00
1.0x