গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জাতীয় দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার অনলাইন পোর্টালসহ কথা২৪ ডটকম, বুড়িগঙ্গা টিভি ও নেত্রদেশ২৪-এ ‘দুর্গাপুরে মুদি দোকানে হামলার অভিযোগ, ক্ষতি সাড়ে ৩ লাখ টাকা’ এবং ‘দুর্গাপুরে মুদির দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও দুই লাখ টাকা লুটের অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদে আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও একপেশে বলে আমি মনে করি। প্রকৃত ঘটনা যাচাই-বাছাই না করে এবং আমার বক্তব্য গ্রহণ না করেই সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে বলে আমার অভিযোগ। এ কারণে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
এক প্রতিবাদলিপিতে দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডিগড় ইউনিয়নের ফুলপুর গ্রামের মাওলানা আব্দুল মতিনের ছেলে খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, “প্রকাশিত সংবাদে আমাকে ও আমার পরিবারের স্বজনদের জড়িয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সত্য নয়। প্রকৃতপক্ষে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে মো. জানু মিয়াসহ আরও ৭-৮ জন মিলে এরশাদ মিয়াকে মারধর করেন। ওই ঘটনায় এরশাদ মিয়া আহত হয়ে চিকিৎসার জন্য দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।”
তিনি আরও বলেন, “ঘটনার প্রকৃত বিষয়টি ভিন্ন হলেও সংবাদে আমাদের বিরুদ্ধে মুদি দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও টাকা লুটের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের সঙ্গে আমার ও আমার পরিবারের কোনো সদস্যের সম্পৃক্ততা নেই। আমাদের ওপর দায় চাপিয়ে নিজেদের মুদি দোকানের টিভি ও অন্যান্য মালামাল নিজেরাই ভেঙে ফেলেন। এটি এলাকার অসংখ্য লোকজন প্রত্যক্ষ করেছে।”
তিনি দাবি করেন, স্থানীয় কতিপয় সাক্ষী ঘটনাটি প্রমাণ করবেন এবং প্রয়োজনে তাঁরা গণস্বাক্ষর দেবেন।
খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, “প্রকাশিত সংবাদে আমি ও আমার পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং এলাকায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে সৃষ্ট বিভ্রান্তির অবসান এবং প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে তুলে ধরার স্বার্থে এই প্রতিবাদলিপি প্রকাশের অনুরোধ জানাচ্ছি।”
খালেদ সাইফুল্লাহর অভিযোগ, “আমি ও আমার পরিবারকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় কতিপয় একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে। আমাদের বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল সামাজিকভাবে হয়রানি করার পাঁয়তারা চালিয়ে আসছে। স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করিয়ে আমাদের হয়রানির অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তাই ওই প্রকাশিত প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
প্রতিবাদকারী:
খালেদ সাইফুল্লাহ
পিতা—মাওলানা আব্দুল মতিন
সাং—ফুলপুর, উপজেলা—দুর্গাপুর, জেলা—নেত্রকোনা।