ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর ভুয়া খবর ছড়িয়ে গুজব: জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
মোঃ মানিক মিয়া,
স্টাফ রিপোর্টার ।
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মর্মান্তিক মৃত্যুর মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে পড়েছে।
এই ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে তাঁর পরিবার, ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কিছু অসাধু ও ভিউ-প্রত্যাশী পেজ ও চ্যানেল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কিংবা মনগড়া কনটেন্ট ব্যবহার করে এই কুচক্রী মহলটি পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। বাস্তবে প্রখ্যাত এই অভিনেতা সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছেন।
সাইবার অপরাধের মাধ্যমে একজন জীবিত সম্মানিত জাতীয় ব্যক্তিত্বকে এভাবে মৃত হিসেবে প্রচার করা চরম অমানবিক ও দণ্ডনীয় অপরাধ।
ভুক্তভোগী পরিবার ও সাধারণ দর্শকরা এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অনতিবিলম্বে অপরাধীদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ ও করণীয়:
সাইবার ক্রাইম ইউনিটের পদক্ষেপ: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাইবার ক্রাইম ও ডিজিটাল সিকিউরিটি ইউনিটকে দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এসব ভুয়া আইডি, পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল চিহ্নিত করতে হবে।
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি:
গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান সাইবার আইনের অধীনে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।
জনসচেতনতা ও ফেক নিউজ প্রতিরোধ:
সাধারণ ব্যবহারকারীদের প্রতি অনুরোধ— কোনো নির্ভরযোগ্য মূলধারার গণমাধ্যমের নিশ্চিতকরণ ছাড়া এ ধরনের স্পর্শকাতর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সংবাদে কান দেবেন না এবং এগুলো শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।
সামাজিক মাধ্যমে ভিউ ও সামান্য স্বার্থের জন্য কোনো ব্যক্তির মৃত্যু নিয়ে এমন নোংরা চর্চা বন্ধে প্রশাসনকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করার জোর দাবি উঠেছে।