নিজস্ব প্রতিবেদক: থাই লটারি নাম্বার পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি প্রবাসীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ফজলার চেয়ারম্যান পাড়া গ্রামের অল্প বয়সী মেহেদী হাসান নামের এক তরুন ছেলের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, থাই লটারি পাইয়ে দেওয়া কিংবা ভূয়া ভিসা প্রদানের আশ্বাসে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ না করে তাদের সাথে প্রতারনা করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, মেহেদী হাসানের পিতা আলম মিয়া। তার বাড়ি বড়ভিটার ফজলার চেয়ারম্যান পাড়া এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি,তার বাবা নিত্যদিন অন্যের বাড়িতে কাজ করে অন্নের সন্ধান করতেন আর এখন তার অল্প বয়সী ছেলে মেহেদী হাসান থাই এবং ভিসা প্রতারনার মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের পরিবারের জীবনযাপন ও আর্থিক অবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। এ নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,থাই লটারির নাম্বার দেওয়া এবং বিদেশে পাঠানোর কথা বলে টাকা নেওয়ার পর দিনের পর দিন প্রতারণা করছেন সে বাংলাদেশী প্রবাসীদের সাথে। স্থানীয়দের আরও দাবি, বিদেশে লোক পাঠানোর নামে প্রতারণার,থাই লটারি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মেহেদী হাসানের আয়ের উৎস, সম্পদের পরিমাণ এবং প্রবাসীদের সাথে প্রতারণা —এসব বিষয় খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা নীলফামারীতে এ ধরনের প্রতারণার অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের বেপরোয়া গতিবিধি রোধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীদের টাকা উদ্ধারের ব্যবস্থা এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।গত এক মাস আগে ১২৫ সিসির দেড় লক্ষাধিক টাকা দামের একটি গাড়ি ক্রয় করলেও এক মাস যেতে না যেতে তিন লক্ষ টাকা দামের আর একটি গাড়ি ক্রয় করেন সে।এত অল্প বয়সে এত টাকার মালিকেই বা হলেন কিভাবে এ নিয়ে অনেকটা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার সচেতন মহলের মানুষদের মাঝে।