যশোরের কেশবপুর উপজেলার বরনডালি মাদ্রাসা থেকে টেন্ডার ছাড়াই প্রায় ৩০ হাজার ইট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
ইতিমধ্যে মাদ্রাসা থেকে ইট সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এ ঘটনায় ইট বিক্রির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা।
ইট সরিয়ে নেওয়ার কিছু স্থিরচিত্র প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন শ্রমিক ভ্যানগাড়িতে করে ইট সরাচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বরনডালি মাদ্রাসার প্রায় ৩০ হাজার ইট বিক্রি করা হলেও এ ক্ষেত্রে যথাযথ টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। মাদ্রাসার এত বিপুল পরিমাণ ইট কীভাবে বিক্রি করা হলো, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং বিক্রির অর্থ কোথায় জমা হয়েছে, তা জানতে চান তাঁরা।
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয়দের ভাষ্য, মাদ্রাসার ইট বিক্রির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল। নিয়ম মেনে উন্মুক্ত প্রক্রিয়ায় বিক্রি করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা দরকার। তাঁদের দাবি, টেন্ডার ছাড়াই ইট বিক্রির অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হলে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হবে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এলাকাবাসী বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে এনেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, উপজেলা প্রশাসন অভিযোগটি খতিয়ে দেখে ইট বিক্রির প্রক্রিয়া, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং বিক্রির অর্থের হিসাব যাচাই করবে।