কালিকচ্ছ বাজারে সড়ক ও ফুটপাত দখল: যানজটে নাকাল জনজীবন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার ব্যস্ততম কালিকচ্ছ বাজারে সড়ক ও ফুটপাত দখলের কারণে প্রতিদিনই চরম যানজট ও জনভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। বাজার এলাকার প্রধান সড়কের দু’পাশে দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনার দখলে রয়েছে ফুটপাত। এতে পথচারীদের চলাচল যেমন কঠিন হয়ে পড়েছে, তেমনি যান চলাচলেও তৈরি হচ্ছে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা।
সরেজমিনে দেখা যায়, একশ্রেণির প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সরকারি জায়গা দখল করে দোকান গড়ে তুলেছে এবং সেগুলো ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকা আয় করছে। এদের অনেকেই স্থানীয় রাজনৈতিক পরিচয়কে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এসব দখল বজায় রেখেছে। প্রশাসন একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান চালালেও, কিছুদিন পর আবার দখলে নিয়ে নেয়া হয় এসব জায়গা।
কালিকচ্ছ বাজারের মোড়ে সরাইল-লাখাই মহাসড়কের দুই পাশে ফলের দোকান, কাঁচাবাজার, মাছের দোকান, ডাবের দোকান ও আখমাড়াই মেশিনসহ নানা অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এসবের কারণে রাস্তার পাশের পার্কিং স্পেসও কার্যত দখলে চলে গেছে, ফলে মূল সড়কেই যানবাহন দাঁড় করাতে বাধ্য হচ্ছে চালকরা, যা যানজটকে আরও তীব্র করে তুলছে।
এছাড়াও, বাজারে সিএনজি, অটোরিকশা, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহন এলোমেলোভাবে দাঁড়িয়ে থাকে, যা চলাচলের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যানজটের পাশাপাশি মহাসড়কে দুর্ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী চাকরিজীবী শাহীন আলম বলেন, “প্রতিদিন সকালে যানজট ঠেলে অফিসে যাই, আর সন্ধ্যায় বাসায় ফিরতেও একই অবস্থা। ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে হাঁটতে হয়।”
একই অভিজ্ঞতার কথা জানান স্কুলশিক্ষিকা আফসানা আক্তার। তিনি বলেন, “প্রতিদিন এত বেশি যানজট থাকে যে, হেঁটেই স্কুলে যেতে হয়। কিন্তু এখন এমন অবস্থা যে হেঁটে চলাও কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ চাই।”
এ প্রসঙ্গে সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসাইন বলেন, “খুব দ্রুত কালিকচ্ছ বাজার ও আশপাশের এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
কালিকচ্ছ বাজারে সড়ক ও ফুটপাত দখল: যানজটে নাকাল জনজীবন
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার ব্যস্ততম কালিকচ্ছ বাজারে সড়ক ও ফুটপাত দখলের কারণে প্রতিদিনই চরম যানজট ও জনভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। বাজার এলাকার প্রধান সড়কের দু’পাশে দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনার দখলে রয়েছে ফুটপাত। এতে পথচারীদের চলাচল যেমন কঠিন হয়ে পড়েছে, তেমনি যান চলাচলেও তৈরি হচ্ছে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা।
সরেজমিনে দেখা যায়, একশ্রেণির প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সরকারি জায়গা দখল করে দোকান গড়ে তুলেছে এবং সেগুলো ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকা আয় করছে। এদের অনেকেই স্থানীয় রাজনৈতিক পরিচয়কে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এসব দখল বজায় রেখেছে। প্রশাসন একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান চালালেও, কিছুদিন পর আবার দখলে নিয়ে নেয়া হয় এসব জায়গা।
কালিকচ্ছ বাজারের মোড়ে সরাইল-লাখাই মহাসড়কের দুই পাশে ফলের দোকান, কাঁচাবাজার, মাছের দোকান, ডাবের দোকান ও আখমাড়াই মেশিনসহ নানা অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এসবের কারণে রাস্তার পাশের পার্কিং স্পেসও কার্যত দখলে চলে গেছে, ফলে মূল সড়কেই যানবাহন দাঁড় করাতে বাধ্য হচ্ছে চালকরা, যা যানজটকে আরও তীব্র করে তুলছে।
এছাড়াও, বাজারে সিএনজি, অটোরিকশা, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহন এলোমেলোভাবে দাঁড়িয়ে থাকে, যা চলাচলের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যানজটের পাশাপাশি মহাসড়কে দুর্ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী চাকরিজীবী শাহীন আলম বলেন, “প্রতিদিন সকালে যানজট ঠেলে অফিসে যাই, আর সন্ধ্যায় বাসায় ফিরতেও একই অবস্থা। ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে হাঁটতে হয়।”
একই অভিজ্ঞতার কথা জানান স্কুলশিক্ষিকা আফসানা আক্তার। তিনি বলেন, “প্রতিদিন এত বেশি যানজট থাকে যে, হেঁটেই স্কুলে যেতে হয়। কিন্তু এখন এমন অবস্থা যে হেঁটে চলাও কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ চাই।”
এ প্রসঙ্গে সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসাইন বলেন, “খুব দ্রুত কালিকচ্ছ বাজার ও আশপাশের এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
কালবেলা মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক নিউমার্কেট
সিটি কমপ্লেক্স,
৪৪/১, রহিম স্কয়ার,
নিউমার্কেট, ঢাকা থেকে প্রকাশিত এবং ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা, শরীয়তপুর প্রিন্টিং
প্রেস
থেকে মুদ্রিত।
আপনার মতামত লিখুন