ঢাকা    রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
বুড়িগঙ্গা

তৃণমূল বাংলাকে বৃহত্তর বাংলাদেশ বানাতে চেয়েছিল: শুভেন্দু


প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

তৃণমূল বাংলাকে বৃহত্তর বাংলাদেশ বানাতে চেয়েছিল: শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী। ফাইল ছবি

হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী জাফর আলম বিশেষ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম, টেকনাফ, কক্সবাজার কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন জাফর আলম। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময় অব্যাহত রেখেছেন। জাফর আলম বলেন, এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে থেকে উন্নয়নমূলক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখতে চান তিনি। বিশেষ করে গরিব, অসহায় ও মেহনতি মানুষের সমস্যা সমাধানে তাদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী জাফর আলম বলেন, নির্বাচনে সুযোগ পেলে তিনি এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান। ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, “আমি আপনাদেরই একজন। আপনাদের পাশে থেকে গরিব-দুঃখী ও মেহনতি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে ইনশাআল্লাহ মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখব।” এ সময় জাফর আলম হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করেন। স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, জনগণের মূল্যবান ভোটই একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি। জনগণ তাকে যোগ্য মনে করলে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান তিনি। এদিকে সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে জাফর আলমের প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীতা, প্রতীক ও ভোটের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।

এয়ার ফ্রায়ার পরিষ্কারের সহজ কৌশল

অভিনয়ের পাঠ দেবেন মোশাররফ করিম

বেগম পাড়া নাটকের শুটিং সম্পন্ন

হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী জাফর আলম

পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আগের বাম ও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তার অভিযোগ, দুই সরকারই রাজ্যের ‘সনাতনী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি’ দমন করার চেষ্টা করেছে। বামেরা ধর্মকে ‘আফিম’ বলত এবং তৃণমূল বাংলাকে ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’ বানাতে চেয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) কলকাতার কেষ্টপুরে একটি গণেশ পূজা মণ্ডপ উদ্বোধন করে এসব মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তার দাবি, গত ৪৯ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক পরিচয় নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪ বছর বাম শাসন এবং পরবর্তী ১৫ বছর তৃণমূলের শাসন ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, ‘গত ৪৯ বছরে ৩৪ বছর যারা ধর্মকে আফিম বলত, তারা ক্ষমতায় ছিল কমিউনিস্টদের অধীনে। আর তার পরের ১৫ বছর তারা বাংলাকে বৃহত্তর বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা করেছে। এখন এমন সরকার এসেছে, যারা ভুলে যাওয়া সংস্কৃতি ও পরম্পরা ফিরিয়ে আনতে চায়।’

বাম আমলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সে সময় পূজা মণ্ডপের বাইরে বিভিন্ন স্টলে কার্ল মার্কস ও ভ্লাদিমির লেনিনের বই পাওয়া যেত। কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দ বা লোকনাথ বাবার বই থাকত না। তার দাবি, ‘হনুমান চালিশা বা ভগবদ্গীতা খুঁজে পাওয়া যেত না। সেখানে স্পষ্ট বলা হতো, তারা ধর্মে বিশ্বাস করে না, ধর্মকে আফিম মনে করে।’

তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হন শুভেন্দু। তার অভিযোগ, দলটির শাসনামলে বাংলাকে ‘জামাতি’ করার চেষ্টা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না নিয়ে মহরম ও দুর্গাপূজার বিসর্জনের দিন নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গ টানেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, ‘ওদের ১৫ বছরের শাসনে, প্রথম দিকে না হলেও শেষ দিকে, বাংলাকে জামাতি বানানোর চেষ্টা হয়েছিল। একবার বিসর্জনের দিন বদলানো হয়েছিল। তিনি বৈঠকে বলেছিলেন, মহরম আছে, তাই বিজয়া দশমীতে বিসর্জন হবে না। এটা করা যায় না। পঞ্জিকা মেনে চলতে হয়। আমাদের পরম্পরা ধীরে ধীরে বদলে দেওয়া হচ্ছিল।’

এ সময় জেলে থাকা এক সাবেক রাজ্য মন্ত্রীরও সমালোচনা করেন শুভেন্দু। তিনি দাবি করেন, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিতৃপক্ষের সময়ে ওই মন্ত্রীর দুর্গাপূজার উদ্বোধনে গিয়েছিলেন। সনাতনী রীতি অনুযায়ী, এই সময়কে পূজার জন্য অশুভ মনে করা হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, দুর্গাপূজার উদ্বোধন মাতৃপক্ষেই হওয়া উচিত। মহাষ্টমীর সময় ‘পূর্ণ শুদ্ধতা’ বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বিষয় : ভারত শুভেন্দু অধিকারী

বুড়িগঙ্গা

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


তৃণমূল বাংলাকে বৃহত্তর বাংলাদেশ বানাতে চেয়েছিল: শুভেন্দু

প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আগের বাম ও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তার অভিযোগ, দুই সরকারই রাজ্যের ‘সনাতনী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি’ দমন করার চেষ্টা করেছে। বামেরা ধর্মকে ‘আফিম’ বলত এবং তৃণমূল বাংলাকে ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’ বানাতে চেয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) কলকাতার কেষ্টপুরে একটি গণেশ পূজা মণ্ডপ উদ্বোধন করে এসব মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তার দাবি, গত ৪৯ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক পরিচয় নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪ বছর বাম শাসন এবং পরবর্তী ১৫ বছর তৃণমূলের শাসন ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, ‘গত ৪৯ বছরে ৩৪ বছর যারা ধর্মকে আফিম বলত, তারা ক্ষমতায় ছিল কমিউনিস্টদের অধীনে। আর তার পরের ১৫ বছর তারা বাংলাকে বৃহত্তর বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা করেছে। এখন এমন সরকার এসেছে, যারা ভুলে যাওয়া সংস্কৃতি ও পরম্পরা ফিরিয়ে আনতে চায়।’

বাম আমলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সে সময় পূজা মণ্ডপের বাইরে বিভিন্ন স্টলে কার্ল মার্কস ও ভ্লাদিমির লেনিনের বই পাওয়া যেত। কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দ বা লোকনাথ বাবার বই থাকত না। তার দাবি, ‘হনুমান চালিশা বা ভগবদ্গীতা খুঁজে পাওয়া যেত না। সেখানে স্পষ্ট বলা হতো, তারা ধর্মে বিশ্বাস করে না, ধর্মকে আফিম মনে করে।’

তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হন শুভেন্দু। তার অভিযোগ, দলটির শাসনামলে বাংলাকে ‘জামাতি’ করার চেষ্টা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না নিয়ে মহরম ও দুর্গাপূজার বিসর্জনের দিন নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গ টানেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, ‘ওদের ১৫ বছরের শাসনে, প্রথম দিকে না হলেও শেষ দিকে, বাংলাকে জামাতি বানানোর চেষ্টা হয়েছিল। একবার বিসর্জনের দিন বদলানো হয়েছিল। তিনি বৈঠকে বলেছিলেন, মহরম আছে, তাই বিজয়া দশমীতে বিসর্জন হবে না। এটা করা যায় না। পঞ্জিকা মেনে চলতে হয়। আমাদের পরম্পরা ধীরে ধীরে বদলে দেওয়া হচ্ছিল।’

এ সময় জেলে থাকা এক সাবেক রাজ্য মন্ত্রীরও সমালোচনা করেন শুভেন্দু। তিনি দাবি করেন, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিতৃপক্ষের সময়ে ওই মন্ত্রীর দুর্গাপূজার উদ্বোধনে গিয়েছিলেন। সনাতনী রীতি অনুযায়ী, এই সময়কে পূজার জন্য অশুভ মনে করা হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, দুর্গাপূজার উদ্বোধন মাতৃপক্ষেই হওয়া উচিত। মহাষ্টমীর সময় ‘পূর্ণ শুদ্ধতা’ বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।


বুড়িগঙ্গা

Buriganga Television is committed to delivering research-based, 
fact-driven, and impartial journalism on the geopolitical economy of the 
Indo-Pacific and the future of humanity to audiences worldwide.

Whatsapp: +8801321780900
Email: burigongatv@gmail.com
Newsroom: newsroom@burigongatv.com

স্বত্ব © বুড়িগঙ্গা মিডিয়া সেন্টার
তৃণমূল বাংলাকে বৃহত্তর বাংলাদেশ বানাতে চেয়েছিল: শুভেন্দু
0:00 0:00
1.0x