ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বুড়িগঙ্গা

কালীগঞ্জে পরীক্ষার ফি' আদায়ের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন



কালীগঞ্জে পরীক্ষার ফি' আদায়ের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ছ্নকা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমির খসরুর বিরুদ্ধে ৩০ টাকা করে পরীক্ষার ফি আদায়ের অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। 

ছনকা গ্রামের অভিভাবক সদস্য শেখ আতাউর রহমান গত ১৪ জুলাই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১ টার দিকে বিদ্যালয় ভবনে এ তদন্ত কাজ অনুষ্ঠিত হয়।

 উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার রায়ের গঠিত তদন্ত কমিটি উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা যতি শংকর রায়, আবু সেলিম ও আব্দুর রাকিবের নেতৃত্বে উপস্থিত অভিভাবক ও সচেতন মহলের উপস্থিতিতে এ তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। 

তদন্ত কার্যক্রমের সময় অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ লুৎফর রহমান গং ও তার আপন ভাই অভিযোগকারী আতাউর ও ভাইপোদের সঙ্গে দীর্ঘদিন পারিবারিক, জমিজমা, সংক্রান্ত, পাল্টাপাল্টি মামলা-মোকাদ্দমা, ম্যানেজিং কমিটি গঠন সহ নানা বিষয়  নিয়ে বিরোধের বিষয়টি উঠে আসে।

 তদন্তকালে উপস্থিত অভিভাবক ও সুধীদের মধ্যে তকদির হোসেন, শফিকুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ, সিরাজুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন, কেরামত আলী, শরিফুল ইসলাম, শেখ কামরুজ্জামান সহ অন্যান্যরা তাদের বক্তব্যে বলেন পরীক্ষার ফি নেওয়ার সরকারি বিধান না থাকলেও প্রধান শিক্ষক আমির খসরু সরকারি আদেশ অমান্য করে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে টাকা নিয়েছেন। 

তবে এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক ফি নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে জানান  গত ২০/ ৪/ ২৬ ইং তারিখে তৎকালীন এডহক কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্লিপের  টাকার স্বল্পতায় শিক্ষার্থীদের নিকট হতে প্রশ্ন ফি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও সেটা নেওয়া হয়নি। উক্ত এডহক কমিটির সভাপতি উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রাকিব জানান বিদ্যালয় ফান্ডে স্লিপের টাকার স্বল্পতা থাকলেও কোনো শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে ফি বাবদ কোন টাকা নেওয়া হয়নি। তবে বেশ কয়েকজন মহিলা অবিভাবক স্বেচ্ছায় কাউকে না জানিয়ে টাকা দিয়েছিলেন।

 তবে এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রেহানা খাতুন জানান পরীক্ষার ফি বাবদ কোন টাকা নেওয়া হয়নি । তবে যাদের প্রয়োজন সেই সমস্ত শিক্ষার্থীরা  হ্যান্ড নোট ফটোকপি খরচ বাবদ ১০/১৫ টাকা করে দিয়েছিল তবে এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের কোন আদেশ বা নির্দেশনা ছিল না।  তবে কয়েকজন অভিভাবক সদস্য বিদ্যালয় কর্তৃ পক্ষকে না জানিয়ে স্বেচ্ছায় পরীক্ষার ফি প্রদান করেন। এই বিষয়টিকে পুঁজি করে অভিভাবক সদস্য শেখ আতাউর রহমান গংরা সামাজিকভাবে হয়রানি করার জন্য প্রধান শিক্ষক আমির খসরুর বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট অভিযোগ দায়ের করেন।

এ প্রসঙ্গে অত্র বিদ্যালয়ে গত ৯/৭/২৬ ইং তারিখে গঠিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ লুৎফর রহমান তার বক্তব্যে বলেন শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হোক সে ব্যাপারে আমরা সবাই একমত হলেও দীর্ঘদিন যাবত স্কুলের কোন সমস্যা না থাকলেও আমার ভাই শেখ আতাউর রহমান বছরের পর বছর বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করে আসছে। এই চক্রটি গত কয়েকদিন আগেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে অভিযোগ করেও কোন সত্যতা প্রমাণ করতে পারেনি। ছনকা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে ৩,শ'র অধিক ছাত্র-ছাত্রী থাকলেও আজ পর্যন্ত কোন অভিভাবকের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

 ওই সময় উপস্থিত অভিভাবক ও সচেতন, সুধী মহল বিদ্যালয়ের শিক্ষার , মান পরিবেশ কোন অবস্থাতেই অবনতিতে ঠেলছ দেওয়া যাবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি ও উজ্জীবনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সহকারী শিক্ষক মোস্তাহিদ রহমান বলেন সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে আমাদের যা যা করণীয় সেটা করব। এক্ষেত্রে যদি প্রধান শিক্ষকেরও কোন গাফিলতি থাকে সে ব্যাপারেও পদক্ষেপ নেব তবে ষড়যন্ত্রকারীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

মডেল বিদ্যালয় সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে শিক্ষক অভিভাবক এবং সানকাবাসী সহ সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। তদন্ত কার্যক্রম শেষে তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা যতি শংকর রায় ও আবু সেলিম উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান তদন্ত কার্যক্রমে যেটা পাওয়া গেছে সে বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে এ ব্যাপারে কোন ধরনের অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হবে না বলে আশ্বস্ত করেন। পারিবারিক কোন্দলকে পুঁজি করে দীর্ঘ ২০/৩০ বছর ধরে অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন সহ নানাবিধ ষড়যন্ত্র নিয়ে একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ চলে আসছে।

শাহজাদপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ‎ ‎​মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী ‎সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ ‎ ‎সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার রতনকান্দি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সদ্য অবসরে যাওয়া প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে নানা আর্থিক অনিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সরিয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ​এই বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন বিদ্যালয়ের জমিদাতা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে  উপজেলা মাধ্যমিক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তাকে। ‎​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,গত ৩১ আগস্ট তদন্তের অংশ হিসেবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে বিভিন্ন নথিপত্র ও আর্থিক হিসাব-নিকাশ পর্যালোচনা করেছেন। উল্লেখ্য,ওই দিনই ছিলো প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়ার কর্মজীবনের শেষ কর্মদিবস। ‎​তদন্তের সময় প্রয়োজনীয় হিসাব-নিকাশ ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র উপস্থাপনের জন্য প্রধান শিক্ষক ১০ দিনের সময় চেয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে হিসাব যাচাই করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ​অভিযোগকারীদের দাবি,সরেজমিনে যাচাইয়ের সময় বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নানা অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। বিষয় গুলো বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ​এই দিকে অবসরে যাওয়ার মুহূর্তে বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথিপত্র সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে মোঃ গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে। তবে ঠিক কোন কোন নথিপত্র নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর বর্তমান অবস্থান কী এবং কী উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে—এই সব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ‎​তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেছেন,"আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুলো সত্য নয়। আমি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব হিসাব- নিকাশ ও কাগজপত্র কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করব।" নথিপত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। ‎​বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সাদিকুল ইসলাম বলেছেন,"আমরা মিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলাম। সে সময় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়া অন্য নথির কথা বলে তাঁর ছেলে ও আরো একজন কে সঙ্গে নিয়ে স্কুলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে গেছেন।"এই বিষয়ে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানিয়েছেন,"অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। আর্থিক হিসাব-নিকাশ দাখিলের জন্য অভিযুক্ত শিক্ষক ১০ দিন সময় নিয়েছেন। পুরো হিসাব দাখিল না করায় তাঁকে এখনো চূড়ান্ত ছাড়পত্র অব্যাহতি দেওয়া হয়নি।"​ বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে,মোঃ গোলাম কিবরিয়া ২০১৩ সালে রতনকান্দি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। চলতি বছরের ৩১ আগস্ট ছিলো তাঁর কর্মজীবনের শেষ দিন। অবসর গ্রহণের ঠিক শেষ মুহূর্তে আর্থিক অনিয়ম ও নথি গায়েবের অভিযোগ ওঠায় পুরো এলাকা জুড়ে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন ও সৃষ্টি হয়েছে।

শাহজাদপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ‎ ‎​মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী ‎সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ ‎ ‎সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার রতনকান্দি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সদ্য অবসরে যাওয়া প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে নানা আর্থিক অনিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সরিয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ​এই বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন বিদ্যালয়ের জমিদাতা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে  উপজেলা মাধ্যমিক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তাকে। ‎​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,গত ৩১ আগস্ট তদন্তের অংশ হিসেবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে বিভিন্ন নথিপত্র ও আর্থিক হিসাব-নিকাশ পর্যালোচনা করেছেন। উল্লেখ্য,ওই দিনই ছিলো প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়ার কর্মজীবনের শেষ কর্মদিবস। ‎​তদন্তের সময় প্রয়োজনীয় হিসাব-নিকাশ ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র উপস্থাপনের জন্য প্রধান শিক্ষক ১০ দিনের সময় চেয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে হিসাব যাচাই করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ​অভিযোগকারীদের দাবি,সরেজমিনে যাচাইয়ের সময় বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নানা অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। বিষয় গুলো বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ​এই দিকে অবসরে যাওয়ার মুহূর্তে বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথিপত্র সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে মোঃ গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে। তবে ঠিক কোন কোন নথিপত্র নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর বর্তমান অবস্থান কী এবং কী উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে—এই সব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে থেকে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ‎​তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেছেন,"আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুলো সত্য নয়। আমি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব হিসাব- নিকাশ ও কাগজপত্র কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করব।" নথিপত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। ‎​বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সাদিকুল ইসলাম বলেছেন,"আমরা মিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলাম। সে সময় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়া অন্য নথির কথা বলে তাঁর ছেলে ও আরো একজন কে সঙ্গে নিয়ে স্কুলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে গেছেন।"এই বিষয়ে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানিয়েছেন,"অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। আর্থিক হিসাব-নিকাশ দাখিলের জন্য অভিযুক্ত শিক্ষক ১০ দিন সময় নিয়েছেন। পুরো হিসাব দাখিল না করায় তাঁকে এখনো চূড়ান্ত ছাড়পত্র অব্যাহতি দেওয়া হয়নি।"​ বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে,মোঃ গোলাম কিবরিয়া ২০১৩ সালে রতনকান্দি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। চলতি বছরের ৩১ আগস্ট ছিলো তাঁর কর্মজীবনের শেষ দিন। অবসর গ্রহণের ঠিক শেষ মুহূর্তে আর্থিক অনিয়ম ও নথি গায়েবের অভিযোগ ওঠায় পুরো এলাকা জুড়ে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন ও সৃষ্টি হয়েছে।

বুড়িগঙ্গা

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কালীগঞ্জে পরীক্ষার ফি' আদায়ের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ছ্নকা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমির খসরুর বিরুদ্ধে ৩০ টাকা করে পরীক্ষার ফি আদায়ের অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। 

ছনকা গ্রামের অভিভাবক সদস্য শেখ আতাউর রহমান গত ১৪ জুলাই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১ টার দিকে বিদ্যালয় ভবনে এ তদন্ত কাজ অনুষ্ঠিত হয়।

 উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার রায়ের গঠিত তদন্ত কমিটি উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা যতি শংকর রায়, আবু সেলিম ও আব্দুর রাকিবের নেতৃত্বে উপস্থিত অভিভাবক ও সচেতন মহলের উপস্থিতিতে এ তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। 

তদন্ত কার্যক্রমের সময় অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ লুৎফর রহমান গং ও তার আপন ভাই অভিযোগকারী আতাউর ও ভাইপোদের সঙ্গে দীর্ঘদিন পারিবারিক, জমিজমা, সংক্রান্ত, পাল্টাপাল্টি মামলা-মোকাদ্দমা, ম্যানেজিং কমিটি গঠন সহ নানা বিষয়  নিয়ে বিরোধের বিষয়টি উঠে আসে।

 তদন্তকালে উপস্থিত অভিভাবক ও সুধীদের মধ্যে তকদির হোসেন, শফিকুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ, সিরাজুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন, কেরামত আলী, শরিফুল ইসলাম, শেখ কামরুজ্জামান সহ অন্যান্যরা তাদের বক্তব্যে বলেন পরীক্ষার ফি নেওয়ার সরকারি বিধান না থাকলেও প্রধান শিক্ষক আমির খসরু সরকারি আদেশ অমান্য করে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে টাকা নিয়েছেন। 

তবে এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক ফি নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে জানান  গত ২০/ ৪/ ২৬ ইং তারিখে তৎকালীন এডহক কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্লিপের  টাকার স্বল্পতায় শিক্ষার্থীদের নিকট হতে প্রশ্ন ফি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও সেটা নেওয়া হয়নি। উক্ত এডহক কমিটির সভাপতি উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রাকিব জানান বিদ্যালয় ফান্ডে স্লিপের টাকার স্বল্পতা থাকলেও কোনো শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে ফি বাবদ কোন টাকা নেওয়া হয়নি। তবে বেশ কয়েকজন মহিলা অবিভাবক স্বেচ্ছায় কাউকে না জানিয়ে টাকা দিয়েছিলেন।

 তবে এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রেহানা খাতুন জানান পরীক্ষার ফি বাবদ কোন টাকা নেওয়া হয়নি । তবে যাদের প্রয়োজন সেই সমস্ত শিক্ষার্থীরা  হ্যান্ড নোট ফটোকপি খরচ বাবদ ১০/১৫ টাকা করে দিয়েছিল তবে এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের কোন আদেশ বা নির্দেশনা ছিল না।  তবে কয়েকজন অভিভাবক সদস্য বিদ্যালয় কর্তৃ পক্ষকে না জানিয়ে স্বেচ্ছায় পরীক্ষার ফি প্রদান করেন। এই বিষয়টিকে পুঁজি করে অভিভাবক সদস্য শেখ আতাউর রহমান গংরা সামাজিকভাবে হয়রানি করার জন্য প্রধান শিক্ষক আমির খসরুর বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট অভিযোগ দায়ের করেন।

এ প্রসঙ্গে অত্র বিদ্যালয়ে গত ৯/৭/২৬ ইং তারিখে গঠিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ লুৎফর রহমান তার বক্তব্যে বলেন শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হোক সে ব্যাপারে আমরা সবাই একমত হলেও দীর্ঘদিন যাবত স্কুলের কোন সমস্যা না থাকলেও আমার ভাই শেখ আতাউর রহমান বছরের পর বছর বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করে আসছে। এই চক্রটি গত কয়েকদিন আগেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে অভিযোগ করেও কোন সত্যতা প্রমাণ করতে পারেনি। ছনকা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে ৩,শ'র অধিক ছাত্র-ছাত্রী থাকলেও আজ পর্যন্ত কোন অভিভাবকের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

 ওই সময় উপস্থিত অভিভাবক ও সচেতন, সুধী মহল বিদ্যালয়ের শিক্ষার , মান পরিবেশ কোন অবস্থাতেই অবনতিতে ঠেলছ দেওয়া যাবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি ও উজ্জীবনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সহকারী শিক্ষক মোস্তাহিদ রহমান বলেন সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে আমাদের যা যা করণীয় সেটা করব। এক্ষেত্রে যদি প্রধান শিক্ষকেরও কোন গাফিলতি থাকে সে ব্যাপারেও পদক্ষেপ নেব তবে ষড়যন্ত্রকারীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

মডেল বিদ্যালয় সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে শিক্ষক অভিভাবক এবং সানকাবাসী সহ সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। তদন্ত কার্যক্রম শেষে তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা যতি শংকর রায় ও আবু সেলিম উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান তদন্ত কার্যক্রমে যেটা পাওয়া গেছে সে বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে এ ব্যাপারে কোন ধরনের অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হবে না বলে আশ্বস্ত করেন। পারিবারিক কোন্দলকে পুঁজি করে দীর্ঘ ২০/৩০ বছর ধরে অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন সহ নানাবিধ ষড়যন্ত্র নিয়ে একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ চলে আসছে।


বুড়িগঙ্গা

Buriganga Television is committed to delivering research-based, 
fact-driven, and impartial journalism on the geopolitical economy of the 
Indo-Pacific and the future of humanity to audiences worldwide.

Whatsapp: +8801321780900
Email: burigongatv@gmail.com
Newsroom: newsroom@burigongatv.com

স্বত্ব © বুড়িগঙ্গা মিডিয়া সেন্টার
কালীগঞ্জে পরীক্ষার ফি' আদায়ের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন
0:00 0:00
1.0x