ঢাকা    সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুড়িগঙ্গা

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আগুনে পুড়লো ইউএনওর বসতঘর

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের হান্ডা গ্রামে আগুনে পুড়ে গেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী আতিকুর রহমানের বসতঘর। আজ রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান। কাজী আতিকুর রহমান বর্তমানে নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে বাড়ির অন্য বাসিন্দারা আতিকুর রহমানের বসতঘর থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই ঘরের ভেতরের মূল্যবান সব মালামাল পুড়ে যায়। বাড়ির বাসিন্দা হাবিবুর রহমান জানান, তাঁরা দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। হঠাৎ করে দেখেন, আতিকুর রহমানের ঘরের সামনের রুম থেকে আগুনের ধোঁয়া বের হচ্ছে। এই সময় আতিকুর রহমানের বৃদ্ধা মা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে ছুটে গিয়ে আশেপাশের লোকজনসহ আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তিনি আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এলেও ততক্ষণে ঘরের ভেতরের সব মালামাল পুড়ে যায়। চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে রওনা দেই। রাস্তা ভাঙা থাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে গেছে।’ চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফ হোসাইন বলেন, ইউএনওর বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তিনি জানান, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউএনও কাজী আতিকুর রহমান বলেন, ‘আমি আমার কর্মস্থলে ছিলাম। বাড়ি থেকে আমার আত্মীয়রা মুঠোফোনে জানায়, আমার থাকার টিনসেডের বসতঘরটিতে আগুন লেগেছে।’ তিনি বলেন, বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধা মা, ভাবি ও ছোট বাচ্চারা ছিলেন। সামনের রুমে হঠাৎ বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং দ্রুত তা পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘরের সব মালামাল পুড়ে যায়।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আগুনে পুড়লো ইউএনওর বসতঘর