ছাতকে এস এস সি-তে পাশের হার ৫২.০৬ দাখিল ৪২.৫৫ ও কারিগরি-তে ৫৪.৬৭ ভাগ
ছাতকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এসএসসি-পাশের হার ৫২.২১, দাখিলে ৪২.৫৫ ও কারিগরি-তে ৫৪.৬৭ ভাগ। এসএসসি-তে ছাতক সরকারি বহুমূখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহন করেছে ১০৯ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাশ করেছে ৮১জন, এখানে পাশের ৭৪.৩১, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন শিক্ষার্থী। মুনিরজ্ঞাতি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহন করেছে ৭৬জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাশ করেছে ৪০জন, পাশের হার ৫২.৬৩ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন শিক্ষার্থী। সমতা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে অংশগ্রহন করেছে ৭৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাশ করেছে ৪১ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন শিক্ষার্থী। এখানে পাশের হার ৫৩.২৫। মঈনপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহন করেছে ১৪৬ জন,পাশ করেছে ৬৫ জন, পাশের হার ৪৪.৫২, জিপিএ -৫ পেয়েছে ১জন। উত্তর সুরমা আজমত আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহন করেছে ৩৮ জন, পাশ করেছে ১৫ জন, পাসের হার ৩৯.৪৭। গোবিন্দগঞ্জ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহন করেছে ৩৮১ জন, পাশ করেছে ২১২ জন, পাশের হার ৫৫.৬৪, জিপিএ -৫ পেয়েছে ৫ জন। আনুজানি জনকল্যান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৭০ জন, পাশ করেছে ২৭, পাশের হার ৩৮.৫৭। পালপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে অংশ গ্রহণ করেছে ৯২ জন, পাশ করেছে ৪৫ জন, পাশের হার ৪৮.৯১।হায়দরপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৪০ জন, পাশ করেছে ৬ জন, পাশের হার ১৫.০০। হাজী রইছ আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ২৮ জন,পাশ করেছে ১৩ জন এবং পাশের হার ৩৬.৪৩। বাংলাবাজার সামারুনেছা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৫২ জন, পাশ করেছে ২৫ জন, পাশের হার ৪৮.০৪।ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৬৯ জন,পাশ করেছে ৫০ জন, পাশের হার ৭২.৪৬ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। ছাতক চন্দ্রনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৯৫ জন, পাশ করেছে ৮৪ জন। পাশের হার ৮৮.৪২ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৩৮ জন, পাশ করেছে ৩৪,পাশের হার ৮৯.৪৭। নতুনবাজার বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে অংশগ্রহণ করেছে ১২০ জন, পাশ করেছে ৬০ জন,পাশের হার ৫০.০০। পাইগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ১৯০ জন,পাশ করেছে ১০৪ জন, পাশের হার ৫৪.৭৪ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। ঝিগলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৮৫ জন, পাশ করেছে ২৬ জন, পাশের হার ৩০.৫৯ । সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিলস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশ গ্রহণ করেছে ১২১জন,পাশ করেছে ৮১জন, পাশের হার ৬৬.৯৪ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। খুরমা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ১৪০ জন, পাশ করেছে ৮৫ জন, পাশের হার ৬০.৭১। শুকুরুন্নেছা চৌধুরী স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৬৫ জন পাশ করেছে ৪০জন। পাশের হার ৬১.৫৪। গণিপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৫৪ জন, পাশ করেছে ২৬ জন, পাশের হার ৪৮.১৫। হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৬৫ জন, পাশ করেছে ২৯ জন, পাশের হার ৪৪.৬২। জাহিদপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৩০জন, পাশ করেছে ৮ জন এবং পাশের হার ২৬.৬৭। লাকেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৪৫ জন,পাশ করেছে ২২জন এবং পাশের হার ৫০.০০। বুরাইয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৪০ জন,পাশ করেছে ২০ জন এবং পাশের হার ৫০.০০। চরমহল্লা বাজার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৬৯ জন,পাশ করেছে ২৪ জন, পাশের হার ৩৪.৭৮। চেচান বাউর পরশপুর (সিবিপি) উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৬৬ জন, পাশ করেছে ৩৬ জন এবং পাশের হার ৫৪. ৫৫। শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে 88 জন,পাশ করেছে ২০জন এবং পাশের হার ৪৫.৪৫। হাজী আব্দুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৭০ জন, পাশ করেছে ২০ জন। এখানে পাশের হার ২৮.৫৭ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। জনতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৬১ জন, পাশ করেছে ৩০ জন শিক্ষার্থী। এখানে পাশের হার ৪৯.১৮। একতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৫৩ জন শিক্ষার্থী। এখানে পাশ করেছে ১৩ জন এবং পাশের হার ২৪.৫২।হাজী জামাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে 88 জন শিক্ষার্থী। এখানে পাশ করেছে ২১জন এবং পাশের হার ৪৭.৭৩। জালালাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৩৯ জন, পাশ করেছে ১১ জন শিক্ষার্থী এবং এখানে পাশের হার ৩৯.২৯। ছাতক ইউনিয়ন এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৪৫ জন শিক্ষার্থী। এখানে পাশ করেছে ৩১ জন এবং পাশের হার ৬৮.৮৯। সালেহা খাতুন কুরশী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৫৯ জন শিক্ষার্থী এবং পাশ করেছে ১৭ জন। এখানে পাশের হার ২৮.৮১। পঞ্চগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৯৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাশ করেছে ২৯ জন শিক্ষার্থী। এবং পাশের হার ৩১.১৮। এলঙ্গি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ২৮ জন, পাশ করেছে ১১ জন শিক্ষার্থী। এখানে পাশের হার ৩৯.২৯। আলহাজ্ব আয়াজুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৬৭ জন, পাশ করেছে ২৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন এবং পাশের হার ৪০.৩০। বড়কাপন আটগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ২৮ জন, পাশ করেছে ১৭জন, পাশের হার ৬০.৭১। সাউথ ওয়েস্ট সালেহ আমহমদ স্কুল এন্ড কলেজ থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৯১জন, পাশ করেছে ৮৮ জন, পাশের হার ৯৬.৭০ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। ব্রিজ একাডেমি থেকে অংশগ্রহণ করেছে ১৪ জন শিক্ষার্থী। এখানে পাশ করেছে ১৪ জন অর্থাৎ শতভাগ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। মোগলগাঁও মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৩৮ জন, পাশ করেছে ৮ জন এবং পাশের হার ২১.০৫। মুহিবুর রহমান মানিক মুক্তিরগাঁও অষ্টগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ১৭ শিক্ষার্থী। এখানে পাশ করেছে ৬ জন এবং পাশের হার ৩৫.২৯। জাহানারা চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৩৭ জন শিক্ষার্থী। পাশ করেছে ২৪ জন এবং পাশের হার ৬৪.৮৬। উপজেলার ৪২ টি বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে ৩১৮৭ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে সফলতা অর্জন করেছে ১৬৫৯ জন শিক্ষার্থী। এখানে পাশের হার ৫২.০৬ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৬ জন শিক্ষার্থী। এদিকে কালারুকা লতিফিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে ৬৪জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে পাশ করেছে ২৭জন এবং পাশের হার ৪২.২৯। গাবুরগাঁও দারুল কোরআন দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৫৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাশ করেছে ২৮ জন এবং পাশের হার ৫২.৮৩। গোবিন্দনগর ফজলিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ২৭ জন,পাশ করে ১৪ জন এবং পাশের হার ৫১.৮৫। জামেয়া-ই-ইসলামিয়া বনগাঁও আলিম মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ২৬ জন, পাশ করেছে ১৩ জন এবং পাশের ৫০.০০। নতুন বাজার দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৫১ জন শিক্ষার্থী , পাশ করেছে ২৩ জন এবং পাশের হার ৪৫.১০। রাজ্জাকিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ২০ জন, পাশ করেছে ১১ জন, এখানে পাশের হার ৫৫.০০। ছাতক জালালিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৭৬ জন, পাশ করেছে ৩৭ জন এবং পাশের হার ৪৮.৬৮। নুরুল্লাহপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৪০ জন, পাশ করেছে ১৬ জন, পাশের হার ৪০.০০ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। সিংচাপইড় ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৩৪ জন, পাশ করেছে ১৪ জন এবং পাশের হার ৪১.১৮। বুরাইয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৯৭ জন, পাশ করেছে ৩১ জন, পাশের হার ৩১.৯৬। লাকেশ্বর দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৫২ জন, পাশ করেছে ১৩ জন এবং পাশের হার ২৫.০০। পালপুর জালালিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৭২জন, পাশ করেছে ১৩ জন এবং পাশের হার ১৮.০৬। সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিলস আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ২৯ জন, পাশ করেছে ১৩ জন, পাশের হার ৪৪.৮৩। দোলারবাজার ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৩১ জন, পাশ করেছে ৯ জন এবং পাশের হার ২৯. ০৩। কুমারকান্দি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ২৯ জন, পাশ করেছে ২২ জন, পাশের হার ৭৫.৮৬। জাহিদপুর জামেয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশ গ্রহণ করেছে ৪২ জন, পাশ করেছে ১০ জন, পাশের হার ২৩.৮১। দিঘলী রাহমানিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ২৬ জন,পাশ করেছে ১২ জন, পাশের হার ৪৬.১৫। খরিদিচর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৫২ জন, পাশ করেছে ২৬ জন এবং পাশের হার ৫০. ০০। আল-ইখওয়ান বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশ গ্রহণ করেছে ২১ জন, পাশ করেছে ৮ জন এবং পাশের হার ৩৮.১০। বন্দরগাঁও ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশ গ্রহণ করেছে ৭০ জন, পাশ করেছে ২৫ জন এবং পাশের হার ৩৫.৭১। রাধানগর মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৫৯ জন,পাশ করেছে ২৯ জন এবং পাশের হার ৪৯.১৫। এখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন শিক্ষার্থী। জামেয়া মোহাম্মদীয়া মুক্তিরগাঁও দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশ গ্রহণ করেছে ৫০ জন, পাশ করেছে ২৪ জন এবং পাশের হার ৪৮.০০। শাহ সুফি মুজাম্মিল আলী (রঃ) দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৪২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩১ জন এখানে পাশের হার ৭৩.৮১ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। মোহাম্মদিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৮ জন অংশ নিয়ে পাশ করেছে ১৩ জন, পাশের হার ৭২.২২। আলহাজ্ব শাহ ফারুক আহমদ চাঁনপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশ গ্রহণ করেছে ১৯ জন, পাশ করেছে ৬ জন এবং পাশের হার ৩১.৫৮। ছাতকের ২৫ টি মাদ্রাসা থেকে মোট পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে ১১০০জন, পাশ করেছে ৪৬৮ জন। পাশের হার ৪২.৫৫ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে 8 জন শিক্ষার্থী। কারিগরি (এসএসসি) পরীক্ষায় টেকনিক্যাল বিভাগে ছাতক সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে অংশগ্রহণ করেছে ১৬৯ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে পাশ করেছে ৭৪ জন। এখানে পাশের হার ৪৩.৭৯ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। এছাড়া ভোকেশনাল বিভাগে চন্দ্রনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৬৩ জন শিক্ষার্থী, এরমধ্যে পাশ করেছে ৪৩ জন, পাশের হার ৬৮.২৫ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ভোকেশনাল বিভাগ থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৩৯জন, পাশ করেছে ২৯জন এবং পাশের হার ৭৪.৩৬। এলঙ্গী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভোকেশনাল বিভাগ থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৭ জন, পাশ করেছে ৬ জন, পাশের হার ৮৫.৭১। ছাতকে ভোকেশনাল বিভাগ থেকে সর্বমোট ২৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এরমধ্যে পাশ করেছে ১৫২ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। এখানে পাশের হার ৫৪.৬৭।