আই লাভ কুরআন মুহাম্মাদ আতিক উল্লাহ বুক রিভিউ[/caption]
অষ্টম অধ্যায় : মাদরাসাতুল কুরআন
এ অধ্যায়ে লেখক বিভিন্ন সুরা ও আয়াতের আলোকে জীবনের এত এত দিক তুলে এনেছেন যে আলাদা করে কিছু বলা সম্ভব নয়। মাদরাসাতুল আম্বিয়া ও মাদরাসাতুল কুরআন এ দুটো অধ্যায়কে ইলমের বাগান বলা যায়।
ছোট করে রিভিউ দিলে ভালো হয় কিন্তু বইটিতে যেহেতু কুরআনের আলোকে মানুষের জীবনের প্রায় সবগুলো দিকই তুলে ধরা হয়েছে তাই ছোট করে বইটি সম্পর্কে ভালো করে বলা সম্ভব নয়। বড় করে বললেও বইটির সৌন্দর্য পুরোপুরিভাবে তুলে ধরা সম্ভব নয়। সবগুলো অধ্যায় মিলিয়ে পুরো বইটিকে কীসের বলা যায়! মোটিভেশনাল? সাইকোথেরাপি? লাভ স্টোরি? নাকি ইলমের বাগান?
এ সময়ে যত বই বের হয়েছে এ বইটি সবচেয়ে সেরা হওয়ার দাবি রাখে। যারা লেখকের কাছে এই আশা ছিল, ওই আশা ছিল বলে হা-হুতাশ করেছেন আর লেখককে মুফিজুল ইসলামের সাথে তুলনা করছেন, তারা কি লেখকের এই বইটি পড়েছেন? কোনো লেখা আপনার ভালো না লাগলে লেখাটি নিয়ে আলোচনা করতেই পারেন কিন্তু একজন মানুষের কাজ শেষ পর্যন্ত না দেখে তাকে নিয়ে সমালোচনা কী ধরনের ইনসাফ? এত সুন্দর, এত চমৎকার একটা বই যে আশ্চর্য হতে হয়! এ বই পড়ার পর কারো কোনো অনুযোগ থাকতে পারে বলে মনে হয় না।
একটা জিনিস ভালো লাগেনি তা হলো— বইয়ে অসংখ্য সিম্বল। 'হিযবী মিনাল কুরআন' অথবা 'কুরআনি ভাবনা' অধ্যায়ের মতো বিষয় আলাদা করতে না হয় সিম্বলগুলো ঠিক আছে কিন্তু কোথাও কোথাও একই গল্পের ভেতরও সিম্বল দেয়া যা পাঠককে বিরক্ত করতে পারে। এত সুন্দর বইয়ের প্রচ্ছদও আরো সুন্দর হতে পারতো। কাগজ, ছাপার মান এসব সাধারণ। অসাধারণত বইটি সবদিক দিয়ে আরো অসাধারণ হলে ভালো লাগতো।
বইটি এতই সহজ সরল ভঙ্গিতে রচিত যে, যে কারো জন্য সহজবোধ্য। প্রতিটি ঘরে এক কপি রাখা যায়। বারবার পড়া যায়। ছাত্র-শিক্ষক, পিতা-পুত্র, প্রত্যেকেরই বইটি পড়া উচিত। যেহেতু আমি নারী, নারীর কথা বলি। ঘরের কাজের ব্যস্ততায় পরিবারে যিনি সবচেয়ে বেশি বই থেকে দূরে থাকেন তিনি আমাদের মা; ভাবতে ভালো লাগে আমাদের মায়ের হাতে বইটি তুলে দিব। তিনি পড়া শেষ করে হয়তো কুরআন হাতে নিয়ে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন। তার যে জীবনের অধিকাংশ সময় রান্নাঘরে কেটেছে সেই জীবনটাই হঠাৎ মূল্যবান হয়ে উঠবে! নতুন জগত উন্মোচিত হবে তার সামনে। নতুন চিন্তায় আলোড়িত হবেন তিনি। আল্লাহ চাইলে এ বইয়ের কল্যাণে যে কুরআন তিনি সাধারণভাবে তেলাওয়াত করতেন সেই কুরআনই অজস্র রঙে রঙিন করে তুলবে বাঙালি বধূর সাধারণ জীবন।
( কৃতজ্ঞ =বই পর্যালোচনা,মাজিদা রিফা, বইয়ের নামঃ: আই লাভ কুরআন , লেখকঃমুহাম্মাদ আতিক উল্লাহ)

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
আই লাভ কুরআন মুহাম্মাদ আতিক উল্লাহ বুক রিভিউ[/caption]
অষ্টম অধ্যায় : মাদরাসাতুল কুরআন
এ অধ্যায়ে লেখক বিভিন্ন সুরা ও আয়াতের আলোকে জীবনের এত এত দিক তুলে এনেছেন যে আলাদা করে কিছু বলা সম্ভব নয়। মাদরাসাতুল আম্বিয়া ও মাদরাসাতুল কুরআন এ দুটো অধ্যায়কে ইলমের বাগান বলা যায়।
ছোট করে রিভিউ দিলে ভালো হয় কিন্তু বইটিতে যেহেতু কুরআনের আলোকে মানুষের জীবনের প্রায় সবগুলো দিকই তুলে ধরা হয়েছে তাই ছোট করে বইটি সম্পর্কে ভালো করে বলা সম্ভব নয়। বড় করে বললেও বইটির সৌন্দর্য পুরোপুরিভাবে তুলে ধরা সম্ভব নয়। সবগুলো অধ্যায় মিলিয়ে পুরো বইটিকে কীসের বলা যায়! মোটিভেশনাল? সাইকোথেরাপি? লাভ স্টোরি? নাকি ইলমের বাগান?
এ সময়ে যত বই বের হয়েছে এ বইটি সবচেয়ে সেরা হওয়ার দাবি রাখে। যারা লেখকের কাছে এই আশা ছিল, ওই আশা ছিল বলে হা-হুতাশ করেছেন আর লেখককে মুফিজুল ইসলামের সাথে তুলনা করছেন, তারা কি লেখকের এই বইটি পড়েছেন? কোনো লেখা আপনার ভালো না লাগলে লেখাটি নিয়ে আলোচনা করতেই পারেন কিন্তু একজন মানুষের কাজ শেষ পর্যন্ত না দেখে তাকে নিয়ে সমালোচনা কী ধরনের ইনসাফ? এত সুন্দর, এত চমৎকার একটা বই যে আশ্চর্য হতে হয়! এ বই পড়ার পর কারো কোনো অনুযোগ থাকতে পারে বলে মনে হয় না।
একটা জিনিস ভালো লাগেনি তা হলো— বইয়ে অসংখ্য সিম্বল। 'হিযবী মিনাল কুরআন' অথবা 'কুরআনি ভাবনা' অধ্যায়ের মতো বিষয় আলাদা করতে না হয় সিম্বলগুলো ঠিক আছে কিন্তু কোথাও কোথাও একই গল্পের ভেতরও সিম্বল দেয়া যা পাঠককে বিরক্ত করতে পারে। এত সুন্দর বইয়ের প্রচ্ছদও আরো সুন্দর হতে পারতো। কাগজ, ছাপার মান এসব সাধারণ। অসাধারণত বইটি সবদিক দিয়ে আরো অসাধারণ হলে ভালো লাগতো।
বইটি এতই সহজ সরল ভঙ্গিতে রচিত যে, যে কারো জন্য সহজবোধ্য। প্রতিটি ঘরে এক কপি রাখা যায়। বারবার পড়া যায়। ছাত্র-শিক্ষক, পিতা-পুত্র, প্রত্যেকেরই বইটি পড়া উচিত। যেহেতু আমি নারী, নারীর কথা বলি। ঘরের কাজের ব্যস্ততায় পরিবারে যিনি সবচেয়ে বেশি বই থেকে দূরে থাকেন তিনি আমাদের মা; ভাবতে ভালো লাগে আমাদের মায়ের হাতে বইটি তুলে দিব। তিনি পড়া শেষ করে হয়তো কুরআন হাতে নিয়ে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন। তার যে জীবনের অধিকাংশ সময় রান্নাঘরে কেটেছে সেই জীবনটাই হঠাৎ মূল্যবান হয়ে উঠবে! নতুন জগত উন্মোচিত হবে তার সামনে। নতুন চিন্তায় আলোড়িত হবেন তিনি। আল্লাহ চাইলে এ বইয়ের কল্যাণে যে কুরআন তিনি সাধারণভাবে তেলাওয়াত করতেন সেই কুরআনই অজস্র রঙে রঙিন করে তুলবে বাঙালি বধূর সাধারণ জীবন।
( কৃতজ্ঞ =বই পর্যালোচনা,মাজিদা রিফা, বইয়ের নামঃ: আই লাভ কুরআন , লেখকঃমুহাম্মাদ আতিক উল্লাহ)

আপনার মতামত লিখুন