বুড়িগঙ্গা নদী দূষণের কারণ ,নদী রক্ষায় করণীয়[/caption]
২. নগর বর্জ্য ও আবাসিক বর্জ্য
ঢাকা মহানগরীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এর একটি বড় অংশ বুড়িগঙ্গা নদীতে ফেলা হয়, যা নদীর দূষণের আরেকটি বড় কারণ।
শহরের বিভিন্ন হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও আবাসিক ভবনের বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হয়।
পলিথিন, প্লাস্টিক ও অন্যান্য কঠিন বর্জ্য নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে এবং নদীর তলদেশ ভরাট করে ফেলে।
বাজার ও কাঁচাবাজার থেকে উৎপন্ন জৈব বর্জ্য পচে গিয়ে নদীর পানিতে দুর্গন্ধ ছড়ায়।
এসব বর্জ্যের অধিকাংশই নদীতে পচে গিয়ে পানির অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে দেয়, যার ফলে নদীর পরিবেশ আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
৩. অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও দখল
নদীর দুই তীর দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে অসংখ্য স্থাপনা। এই দখলদারিত্ব বুড়িগঙ্গার স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট করছে এবং নদীকে সংকুচিত করে ফেলছে।
নদীর তীরে বড় বড় ভবন, দোকানপাট, কলকারখানা ও ঘরবাড়ি তৈরি হওয়ায় পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
অনেক জায়গায় নদী ভরাট করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে, যা নদীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে ফেলেছে।
দখল হওয়া অংশগুলো থেকে প্রতিনিয়ত বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে, যা দূষণকে আরও তীব্র করছে।
যত দিন যাচ্ছে, ততই বুড়িগঙ্গার প্রকৃত চেহারা হারিয়ে যাচ্ছে। একসময়ের প্রশস্ত নদী এখন কোথাও কোথাও ছোট খালের মতো হয়ে গেছে।
৪. নৌযান ও তেল দূষণ
বুড়িগঙ্গার ওপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত নৌযান চলাচল করে। এসব নৌযান থেকে নির্গত তেল ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ নদীর পানি দূষণের বড় কারণ।
লঞ্চ, স্টিমার, কার্গো ও অন্যান্য নৌযানের ইঞ্জিন থেকে নির্গত তেল সরাসরি নদীতে পড়ে।
অনেক নৌযান নদীতেই ময়লা-আবর্জনা ফেলে, যা জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
পুরনো ও রক্ষণাবেক্ষণবিহীন নৌযান থেকে বিভিন্ন ধরনের ভারী ধাতু পানিতে মিশে যায়, যা মানবদেহের জন্যও ক্ষতিকর।
এভাবে প্রতিদিন বুড়িগঙ্গার পানি আরও বিষাক্ত হয়ে উঠছে।
৫. নিকাশী ও ময়লা পানি নিঃসরণ

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৫
বুড়িগঙ্গা নদী দূষণের কারণ ,নদী রক্ষায় করণীয়[/caption]
২. নগর বর্জ্য ও আবাসিক বর্জ্য
ঢাকা মহানগরীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এর একটি বড় অংশ বুড়িগঙ্গা নদীতে ফেলা হয়, যা নদীর দূষণের আরেকটি বড় কারণ।
শহরের বিভিন্ন হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও আবাসিক ভবনের বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হয়।
পলিথিন, প্লাস্টিক ও অন্যান্য কঠিন বর্জ্য নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে এবং নদীর তলদেশ ভরাট করে ফেলে।
বাজার ও কাঁচাবাজার থেকে উৎপন্ন জৈব বর্জ্য পচে গিয়ে নদীর পানিতে দুর্গন্ধ ছড়ায়।
এসব বর্জ্যের অধিকাংশই নদীতে পচে গিয়ে পানির অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে দেয়, যার ফলে নদীর পরিবেশ আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
৩. অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও দখল
নদীর দুই তীর দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে অসংখ্য স্থাপনা। এই দখলদারিত্ব বুড়িগঙ্গার স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট করছে এবং নদীকে সংকুচিত করে ফেলছে।
নদীর তীরে বড় বড় ভবন, দোকানপাট, কলকারখানা ও ঘরবাড়ি তৈরি হওয়ায় পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
অনেক জায়গায় নদী ভরাট করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে, যা নদীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে ফেলেছে।
দখল হওয়া অংশগুলো থেকে প্রতিনিয়ত বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে, যা দূষণকে আরও তীব্র করছে।
যত দিন যাচ্ছে, ততই বুড়িগঙ্গার প্রকৃত চেহারা হারিয়ে যাচ্ছে। একসময়ের প্রশস্ত নদী এখন কোথাও কোথাও ছোট খালের মতো হয়ে গেছে।
৪. নৌযান ও তেল দূষণ
বুড়িগঙ্গার ওপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত নৌযান চলাচল করে। এসব নৌযান থেকে নির্গত তেল ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ নদীর পানি দূষণের বড় কারণ।
লঞ্চ, স্টিমার, কার্গো ও অন্যান্য নৌযানের ইঞ্জিন থেকে নির্গত তেল সরাসরি নদীতে পড়ে।
অনেক নৌযান নদীতেই ময়লা-আবর্জনা ফেলে, যা জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
পুরনো ও রক্ষণাবেক্ষণবিহীন নৌযান থেকে বিভিন্ন ধরনের ভারী ধাতু পানিতে মিশে যায়, যা মানবদেহের জন্যও ক্ষতিকর।
এভাবে প্রতিদিন বুড়িগঙ্গার পানি আরও বিষাক্ত হয়ে উঠছে।
৫. নিকাশী ও ময়লা পানি নিঃসরণ

আপনার মতামত লিখুন