এ ঘটনার জেরে রাতে মোগলটুলা গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ সাইফুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালাতে গেলে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন।
সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোশাররফ হোসেন এবং সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল হাসানসহ প্রশাসনের একাধিক সদস্য আহত হন। আহতদের সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তপন সরকার জানান, মাসদুয়েক আগে মোবাইল ফোনের চার্জার নিয়ে দুই গ্রামের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটেছে। সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ ও নেতৃত্বে কারা ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, সংঘর্ষ থামাতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নেমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার পর থেকে সংশ্লিষ্ট গ্রামের অনেক বাসিন্দা এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৫
এ ঘটনার জেরে রাতে মোগলটুলা গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ সাইফুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালাতে গেলে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন।
সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোশাররফ হোসেন এবং সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল হাসানসহ প্রশাসনের একাধিক সদস্য আহত হন। আহতদের সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তপন সরকার জানান, মাসদুয়েক আগে মোবাইল ফোনের চার্জার নিয়ে দুই গ্রামের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটেছে। সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ ও নেতৃত্বে কারা ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, সংঘর্ষ থামাতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নেমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার পর থেকে সংশ্লিষ্ট গ্রামের অনেক বাসিন্দা এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 
আপনার মতামত লিখুন