ঢাকা    শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুড়িগঙ্গা

৬০ দেশে নতুন মার্কিন শুল্ক, বাংলাদেশের ওপর ১০%



৬০ দেশে নতুন মার্কিন শুল্ক, বাংলাদেশের ওপর ১০%
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশ থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে ব্যর্থতার অভিযোগে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) নতুন এই শুল্ক আরোপ করেছে। গত বৃহস্পতিবার সে দেশের ফেডারেল রেজিস্ট্রারের এক নোটিশে এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়। 

এ নিয়ে ১৪ মাসে পাঁচবার শুল্কহার পরিবর্তন করল ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন ঘোষণার দেশগুলোর ওপর শুল্কের হার ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের শুল্কহার ১০ শতাংশ রাখা হয়েছে। 

বাংলাদেশের মতো ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, জর্ডান, ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, তাইওয়ান, সুইজারল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর আগে আরোপ করা শুল্কের সঙ্গে মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি ৩৮টি দেশের ক্ষেত্রে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্কহার নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দেশগুলোর চীন ও ভিয়েতনাম রয়েছে।

চীন ও ভিয়েতনামের পণ্যে শুল্কহার বাড়িয়ে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ করায় বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বাণিজ্যনীতি বিশ্লেষক ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তারা। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দেশ দুটি বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্কে ২ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবধানের ফলে বাংলাদেশ বাড়তি সুবিধা পেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দপ্তরের সংস্থা অফিস অব দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) হালনাগাদ উপাত্ত অনুযায়ী, দেশটিতে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। শীর্ষে রয়েছে ভিয়েতনাম। চীনের অবস্থান তৃতীয়। চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ইন্দোনেশিয়া ও ভারত। তবে ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার পণ্যেও বাংলাদেশের মতোই সমহার অর্থাৎ ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। 

গতকাল শুক্রবার রাত ১২টা থেকে নতুন শুল্কহার কার্যকর হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিতে বর্তমানে পণ্যভিত্তিক শুল্ককাঠামোর অধীনে বাংলাদেশ যেসব পণ্য রপ্তানি করে, সেগুলোর শুল্ক রয়েছে গড়ে ১৬ শতাংশ। এর সঙ্গে দেশভিত্তিক শুল্ককাঠামোয় ১০ শতাংশ মিলে বাংলাদেশের পণ্যে মোট শুল্ক দাঁড়ায় ২৬ শতাংশ। নতুন শুল্ক কাঠামোর কারণে এই হারে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। 

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির মধ্যে তৈরি পোশাক ৮৮ শতাংশ। এই খাতের রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান গতকাল সমকালকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নতুন শুল্ককাঠামোর কারণে বাংলাদেশের রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই। তিনি প্রতিযোগী দেশের চেয়ে নতুন শুল্ককাঠামোয় আড়াই শতাংশ এগিয়ে থাকার যুক্তি তুলে ধরেন।  একই  রকম যুক্তি দেখিয়েছেন বাণিজ্য নীতি বিশ্লেষক ও বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের সাবেক সদস্য ড. মোস্তফা আবিদ খান। গতকাল সমকালকে তিনি বলেন, প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক ব্যবধান বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানি করে সে দেশে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধার যে কথা বলা হচ্ছে, সেটা কার্যকর হলে বাংলাদেশের জন্য আরও ভালো হবে। তবে মনে রাখতে হবে, তৈরি পোশাকে ভিয়েতনামের অবকাঠামো, নিজস্ব কাঁচামাল কিংবা চীন থেকে খুব সহজেই যুক্তরাষ্ট্রে আমদানির সুযোগ রয়েছে– যা তাদের সব সময় বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রাখে।  যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্য প্রবেশে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কের জেরে গত বছরের এপ্রিল থেকে টালমাটাল হয়ে ওঠে রপ্তানি বাণিজ্য। দফায় দফায় বাংলাদেশের পণ্যের ওপর শুল্কহারে পরিবর্তন আনা হয়। এতে প্রধান বাজারে রপ্তানি ধরে রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। 

গত বছরের ২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশে বাংলাদেশের পণ্যে ৩৭ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়, যা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল ৯ এপ্রিল। তখন মোট শুল্ক দাঁড়ায় ৫২ শতাংশে। পরে বাড়তি শুল্ক আরোপের ঘোষণা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। স্থগিতের সময় শেষ হওয়ার আগে গত বছরের ৯ জুলাই বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর নতুন করে পাল্টা শুল্ক ২ শতাংশ কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করা হয়। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করে সরকার। এতে শুল্ক কমে ১৯ শতাংশ হওয়ার কথা। তবে গত ২০ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপিত বৈশ্বিক শুল্কনীতিকে অবৈধ ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। ওই রায়ের পর সব দেশের পণ্যে আবার ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। দেশটির প্রচলিত আইন ব্যবহার করে ১৫০ দিনের জন্য শুল্ক আরোপ সুযোগ কাজে লাগানো হয়েছিল– যার মেয়াদ শেষ হয়েছে গত রাতে। 

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কবিন্যাস সম্পর্কে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এটি মূলত পুরোনো শুল্কেরই একটি রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন। নতুন কোনো অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়নি। গতকাল শুক্রবার সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক

বুড়িগঙ্গা

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬


৬০ দেশে নতুন মার্কিন শুল্ক, বাংলাদেশের ওপর ১০%

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশ থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে ব্যর্থতার অভিযোগে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) নতুন এই শুল্ক আরোপ করেছে। গত বৃহস্পতিবার সে দেশের ফেডারেল রেজিস্ট্রারের এক নোটিশে এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়। 

এ নিয়ে ১৪ মাসে পাঁচবার শুল্কহার পরিবর্তন করল ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন ঘোষণার দেশগুলোর ওপর শুল্কের হার ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের শুল্কহার ১০ শতাংশ রাখা হয়েছে। 

বাংলাদেশের মতো ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, জর্ডান, ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, তাইওয়ান, সুইজারল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর আগে আরোপ করা শুল্কের সঙ্গে মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি ৩৮টি দেশের ক্ষেত্রে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্কহার নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দেশগুলোর চীন ও ভিয়েতনাম রয়েছে।

চীন ও ভিয়েতনামের পণ্যে শুল্কহার বাড়িয়ে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ করায় বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বাণিজ্যনীতি বিশ্লেষক ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তারা। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দেশ দুটি বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্কে ২ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবধানের ফলে বাংলাদেশ বাড়তি সুবিধা পেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দপ্তরের সংস্থা অফিস অব দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) হালনাগাদ উপাত্ত অনুযায়ী, দেশটিতে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। শীর্ষে রয়েছে ভিয়েতনাম। চীনের অবস্থান তৃতীয়। চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ইন্দোনেশিয়া ও ভারত। তবে ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার পণ্যেও বাংলাদেশের মতোই সমহার অর্থাৎ ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। 

গতকাল শুক্রবার রাত ১২টা থেকে নতুন শুল্কহার কার্যকর হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিতে বর্তমানে পণ্যভিত্তিক শুল্ককাঠামোর অধীনে বাংলাদেশ যেসব পণ্য রপ্তানি করে, সেগুলোর শুল্ক রয়েছে গড়ে ১৬ শতাংশ। এর সঙ্গে দেশভিত্তিক শুল্ককাঠামোয় ১০ শতাংশ মিলে বাংলাদেশের পণ্যে মোট শুল্ক দাঁড়ায় ২৬ শতাংশ। নতুন শুল্ক কাঠামোর কারণে এই হারে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। 

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির মধ্যে তৈরি পোশাক ৮৮ শতাংশ। এই খাতের রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান গতকাল সমকালকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নতুন শুল্ককাঠামোর কারণে বাংলাদেশের রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই। তিনি প্রতিযোগী দেশের চেয়ে নতুন শুল্ককাঠামোয় আড়াই শতাংশ এগিয়ে থাকার যুক্তি তুলে ধরেন।  একই  রকম যুক্তি দেখিয়েছেন বাণিজ্য নীতি বিশ্লেষক ও বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের সাবেক সদস্য ড. মোস্তফা আবিদ খান। গতকাল সমকালকে তিনি বলেন, প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক ব্যবধান বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানি করে সে দেশে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধার যে কথা বলা হচ্ছে, সেটা কার্যকর হলে বাংলাদেশের জন্য আরও ভালো হবে। তবে মনে রাখতে হবে, তৈরি পোশাকে ভিয়েতনামের অবকাঠামো, নিজস্ব কাঁচামাল কিংবা চীন থেকে খুব সহজেই যুক্তরাষ্ট্রে আমদানির সুযোগ রয়েছে– যা তাদের সব সময় বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রাখে।  যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্য প্রবেশে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কের জেরে গত বছরের এপ্রিল থেকে টালমাটাল হয়ে ওঠে রপ্তানি বাণিজ্য। দফায় দফায় বাংলাদেশের পণ্যের ওপর শুল্কহারে পরিবর্তন আনা হয়। এতে প্রধান বাজারে রপ্তানি ধরে রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। 

গত বছরের ২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশে বাংলাদেশের পণ্যে ৩৭ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়, যা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল ৯ এপ্রিল। তখন মোট শুল্ক দাঁড়ায় ৫২ শতাংশে। পরে বাড়তি শুল্ক আরোপের ঘোষণা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। স্থগিতের সময় শেষ হওয়ার আগে গত বছরের ৯ জুলাই বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর নতুন করে পাল্টা শুল্ক ২ শতাংশ কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করা হয়। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করে সরকার। এতে শুল্ক কমে ১৯ শতাংশ হওয়ার কথা। তবে গত ২০ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপিত বৈশ্বিক শুল্কনীতিকে অবৈধ ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। ওই রায়ের পর সব দেশের পণ্যে আবার ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। দেশটির প্রচলিত আইন ব্যবহার করে ১৫০ দিনের জন্য শুল্ক আরোপ সুযোগ কাজে লাগানো হয়েছিল– যার মেয়াদ শেষ হয়েছে গত রাতে। 

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কবিন্যাস সম্পর্কে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এটি মূলত পুরোনো শুল্কেরই একটি রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন। নতুন কোনো অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়নি। গতকাল শুক্রবার সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।


বুড়িগঙ্গা

Buriganga Television is committed to delivering research-based, 
fact-driven, and impartial journalism on the geopolitical economy of the 
Indo-Pacific and the future of humanity to audiences worldwide.

Whatsapp: +8801321780900
Email: burigongatv@gmail.com
Newsroom: newsroom@burigongatv.com

স্বত্ব © বুড়িগঙ্গা মিডিয়া সেন্টার
৬০ দেশে নতুন মার্কিন শুল্ক, বাংলাদেশের ওপর ১০%
0:00 0:00
1.0x