ঢাকা    বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বুড়িগঙ্গা

শিক্ষক সমিতির পদবি বিভ্রাট, নেপথ্যে জবি প্রশাসন



শিক্ষক সমিতির পদবি বিভ্রাট, নেপথ্যে জবি প্রশাসন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদবি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর। যা উপাচার্যের চূড়ান্ত অনুমোদন নিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান। 

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স কক্ষে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক ড. আজম খান এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইনের নাম উল্লেখ করা হয়। তবে প্রকৃতপক্ষে সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূইয়া এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক।

বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, বিজ্ঞপ্তিতে এমন উল্লেখ দেখে তিনি অবাক হয়েছেন। তিনি কাউকে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দিয়ে যাননি, মৌখিক বা লিখিত কোনোভাবেই নয়। ওই দিন তিনি আনুষ্ঠানিক ছুটিতে অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মডারেশনের কাজে ছিলেন। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ভুল জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আরও সচেতন থাকা উচিত। 

শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূইয়া বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে আসার পরপরই জনসংযোগ দপ্তরকে জানানো হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে যাওয়ায় শিক্ষক সমিতির একজন সদস্যকে নিজের প্রতিনিধি হিসেবে অনুষ্ঠানে পাঠিয়েছিলেন। অধ্যাপক ড. আজম খান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে নয়, বরং ভারপ্রাপ্ত সভাপতির প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করেছে এবং সংশোধনের কথা জানিয়েছে। এ জন্য দপ্তর থেকে তার কাছে দুঃখ প্রকাশও করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান বলেন, “বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে আজম খান এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিলাল হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে মিটিং এ। মূলত তারা প্রতিনিধি হিসেবে এসব দায়িত্ব পালন করছেন, এটি বোঝানোই বিজ্ঞপ্তির উদ্দেশ্য ছিল।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বিজ্ঞপ্তি তিন স্তরের অনুমোদন শেষে প্রকাশ হয়। ভিসি স্যার ফাইনাল দেখেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফাই পেজে আপলোড করা হয়েছে। তবে এটা আমরা সংশোধন করছি।

উল্লেখ্য, বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও দি ইবনে সিনা ট্রাস্টের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী (বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার থেকে রেফারকৃত), কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের যোগ্য নির্ভরশীলদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণে বিশেষ ছাড় দেওয়ার কথা রয়েছে।

বুড়িগঙ্গা

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


শিক্ষক সমিতির পদবি বিভ্রাট, নেপথ্যে জবি প্রশাসন

প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদবি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর। যা উপাচার্যের চূড়ান্ত অনুমোদন নিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান। 


বুধবার (৪ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স কক্ষে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক ড. আজম খান এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইনের নাম উল্লেখ করা হয়। তবে প্রকৃতপক্ষে সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূইয়া এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক।


বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, বিজ্ঞপ্তিতে এমন উল্লেখ দেখে তিনি অবাক হয়েছেন। তিনি কাউকে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দিয়ে যাননি, মৌখিক বা লিখিত কোনোভাবেই নয়। ওই দিন তিনি আনুষ্ঠানিক ছুটিতে অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মডারেশনের কাজে ছিলেন। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ভুল জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আরও সচেতন থাকা উচিত। 


শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূইয়া বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে আসার পরপরই জনসংযোগ দপ্তরকে জানানো হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে যাওয়ায় শিক্ষক সমিতির একজন সদস্যকে নিজের প্রতিনিধি হিসেবে অনুষ্ঠানে পাঠিয়েছিলেন। অধ্যাপক ড. আজম খান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে নয়, বরং ভারপ্রাপ্ত সভাপতির প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।


তিনি আরও বলেন, জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করেছে এবং সংশোধনের কথা জানিয়েছে। এ জন্য দপ্তর থেকে তার কাছে দুঃখ প্রকাশও করা হয়েছে।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান বলেন, “বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে আজম খান এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিলাল হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে মিটিং এ। মূলত তারা প্রতিনিধি হিসেবে এসব দায়িত্ব পালন করছেন, এটি বোঝানোই বিজ্ঞপ্তির উদ্দেশ্য ছিল।


তিনি আরও বলেন, আমাদের বিজ্ঞপ্তি তিন স্তরের অনুমোদন শেষে প্রকাশ হয়। ভিসি স্যার ফাইনাল দেখেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফাই পেজে আপলোড করা হয়েছে। তবে এটা আমরা সংশোধন করছি।


উল্লেখ্য, বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও দি ইবনে সিনা ট্রাস্টের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী (বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার থেকে রেফারকৃত), কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের যোগ্য নির্ভরশীলদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণে বিশেষ ছাড় দেওয়ার কথা রয়েছে।


বুড়িগঙ্গা

Buriganga Television is committed to delivering research-based, 
fact-driven, and impartial journalism on the geopolitical economy of the 
Indo-Pacific and the future of humanity to audiences worldwide.

Whatsapp: +8801321780900
Email: burigongatv@gmail.com
Newsroom: newsroom@burigongatv.com

স্বত্ব © বুড়িগঙ্গা মিডিয়া সেন্টার
শিক্ষক সমিতির পদবি বিভ্রাট, নেপথ্যে জবি প্রশাসন
0:00 0:00
1.0x