ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সন্ধ্যারই সাতুরিয়া এলাকায় আলী ইটভাটার পাশে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নিহত যুবকের নাম যতীশ চন্দ্র। তিনি পাশের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী পাঁচপীর গ্রামের রাজেন চন্দ্রের ছেলে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে নন্দুয়ার ইউনিয়নের দক্ষিণ সন্ধ্যারই গ্রামের আলী ইটভাটার পাশের ধানক্ষেতে তাঁর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তাঁরা বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে রাণীশংকৈল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
প্রথম দিকে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে নিহতের পরিচয় জানা যায়। তিনি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বাসিন্দা যতীশ চন্দ্র বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে ইটভাটার পাশের ধানক্ষেতের কাছে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। কৃষিজমির পাশে মরদেহ পড়ে থাকার ঘটনায় আশপাশের লোকজন সেখানে জড়ো হন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
তবে যতীশ চন্দ্রের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা নিয়েও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের ফলাফল ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ হবে।
ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ধানক্ষেতের পাশে কীভাবে তাঁর মরদেহ পড়ে ছিল, মৃত্যুর আগে তিনি কোথায় ছিলেন এবং কীভাবে ওই এলাকায় এসেছিলেন, সেসব বিষয়ও সামনে এসেছে। তবে এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে, পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর নিহতের পারিবারিক পরিচয় সম্পর্কে জানা গেলেও তাঁর মৃত্যুর পেছনের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার সঙ্গে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ ঘটনায় পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, ময়নাতদন্তের ফলাফল এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটিত হতে পারে।