ঢাকা    বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বুড়িগঙ্গা

রাজশাহীতে ফটোসাংবাদিক কাচুকে ফাঁসানোর অভিযোগ: তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভপ্রকাশ



রাজশাহীতে ফটোসাংবাদিক কাচুকে ফাঁসানোর অভিযোগ: তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভপ্রকাশ

​বিশেষ প্রতিনিধি, রাজশাহী:রাজশাহীতে একটি ফেসবুক ভিডিও শেয়ারকে কেন্দ্র করে জ্যেষ্ঠ ফটোসাংবাদিক মামুনুর রশীদ কাচুকে মামলায় জড়ানো ও গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজের একাংশ। প্রকাশিত খবরের সত্যতা আড়াল করে মূল ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অভিযোগ এনেছেন তারা।

​রিভারসিটি প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ সাংবাদিকদের একাধিক সংগঠন এক যৌথ বিবৃতিতে দাবি করেছে, মাদক কারবারিদের বাঁচাতে এবং প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতেই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফটোসাংবাদিক কাচুকে এই মামলায় বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে।

​ঘটনার পটভূমি ও মামলা

​মামলার নথি ও অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৪ জুন ২০২৬ তারিখে রাজশাহীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনের ২৫ ধারাসহ দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৩৮৬, ৫০০ ও ৫০৬ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নম্বর: ৭)। মাহবুবা খাতুন লিলা নামে এক নারী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

​উল্লেখ্য, মূল এজাহারে ফটোসাংবাদিক মামুনুর রশীদ কাচুর কোনো নাম ছিল না।

​এর আগে, বাদী মাহবুবা খাতুন লিলা সাংবাদিকদের কাছে একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে নিজের ওপর অত্যাচার ও ষড়যন্ত্রের বিবরণ দিয়ে সাহায্য প্রার্থনা করেন। সেই সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি হুবহু (কোনো এডিট বা সংযোগ-বিয়োগ ছাড়াই) মামুনুর রশীদ কাচু তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পেজ ‘এখনই সময়’-এ শেয়ার করেন।

​ভিডিও শেয়ার থেকেই জটলা

​ভিডিওটি শেয়ার দেওয়ার পর থেকেই স্থানীয় সাংবাদিকদের একটি অংশ ও কাচুবিরোধী অপপ্রচারকারী চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। কাচুকে এই মামলায় জড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে সেই চক্রটি। অনুসন্ধানে জানা যায়, কাচু পূর্বেও বিভিন্ন সময় একটি কায় স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ভয়ভীতি ও চক্রান্তের শিকার হয়ে আসছিলেন।

​আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ফটোসাংবাদিক কাচু নিজে থেকেই পুলিশের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানান এবং উপস্থিত হন। পরবর্তীতে পুলিশ ওই মামলায় ভিডিও শেয়ার করার সূত্র ধরে তাকে আটক দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।

​ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ও প্রতিবাদ

​এদিকে, ভিডিওতে যে নারী একসময় সাংবাদিকদের কাছে কান্না জড়িত কণ্ঠে আকুতি জানিয়েছিলেন এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন, পরবর্তীতে তিনি নিজের দেওয়া বক্তব্যকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেন। সাহায্য চাওয়ার ভিডিওটি কেবল শেয়ার করার কারণেই কাচুকে আসামির তালিকায় তুলে আনা হয়েছে বলে মনে করছেন রাজশাহীর সচেতন সাংবাদিক সমাজ।

​সংবাদকর্মীরা জানান, "একজন ভুক্তভোগীর দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎকার শেয়ার করার অপরাধে একজন সাংবাদিককে সাজানো মামলায় ফাঁসানো স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর চরম আঘাত। ভিডিওটি দেখলেই এবং এতে উল্লিখিত ব্যক্তিদের অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করলেই আসল সত্য বেরিয়ে আসবে।"

​সংবাদিক মহল থেকে অবিলম্বে মামুনুর রশীদ কাচুর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অসত্য অভিযোগ প্রত্যাহার ও তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।

বুড়িগঙ্গা

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


রাজশাহীতে ফটোসাংবাদিক কাচুকে ফাঁসানোর অভিযোগ: তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভপ্রকাশ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

​বিশেষ প্রতিনিধি, রাজশাহী:রাজশাহীতে একটি ফেসবুক ভিডিও শেয়ারকে কেন্দ্র করে জ্যেষ্ঠ ফটোসাংবাদিক মামুনুর রশীদ কাচুকে মামলায় জড়ানো ও গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজের একাংশ। প্রকাশিত খবরের সত্যতা আড়াল করে মূল ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অভিযোগ এনেছেন তারা।

​রিভারসিটি প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ সাংবাদিকদের একাধিক সংগঠন এক যৌথ বিবৃতিতে দাবি করেছে, মাদক কারবারিদের বাঁচাতে এবং প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতেই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফটোসাংবাদিক কাচুকে এই মামলায় বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে।

​ঘটনার পটভূমি ও মামলা

​মামলার নথি ও অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৪ জুন ২০২৬ তারিখে রাজশাহীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনের ২৫ ধারাসহ দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৩৮৬, ৫০০ ও ৫০৬ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নম্বর: ৭)। মাহবুবা খাতুন লিলা নামে এক নারী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

​উল্লেখ্য, মূল এজাহারে ফটোসাংবাদিক মামুনুর রশীদ কাচুর কোনো নাম ছিল না।

​এর আগে, বাদী মাহবুবা খাতুন লিলা সাংবাদিকদের কাছে একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে নিজের ওপর অত্যাচার ও ষড়যন্ত্রের বিবরণ দিয়ে সাহায্য প্রার্থনা করেন। সেই সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি হুবহু (কোনো এডিট বা সংযোগ-বিয়োগ ছাড়াই) মামুনুর রশীদ কাচু তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পেজ ‘এখনই সময়’-এ শেয়ার করেন।

​ভিডিও শেয়ার থেকেই জটলা

​ভিডিওটি শেয়ার দেওয়ার পর থেকেই স্থানীয় সাংবাদিকদের একটি অংশ ও কাচুবিরোধী অপপ্রচারকারী চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। কাচুকে এই মামলায় জড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে সেই চক্রটি। অনুসন্ধানে জানা যায়, কাচু পূর্বেও বিভিন্ন সময় একটি কায় স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ভয়ভীতি ও চক্রান্তের শিকার হয়ে আসছিলেন।

​আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ফটোসাংবাদিক কাচু নিজে থেকেই পুলিশের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানান এবং উপস্থিত হন। পরবর্তীতে পুলিশ ওই মামলায় ভিডিও শেয়ার করার সূত্র ধরে তাকে আটক দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।

​ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ও প্রতিবাদ

​এদিকে, ভিডিওতে যে নারী একসময় সাংবাদিকদের কাছে কান্না জড়িত কণ্ঠে আকুতি জানিয়েছিলেন এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন, পরবর্তীতে তিনি নিজের দেওয়া বক্তব্যকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেন। সাহায্য চাওয়ার ভিডিওটি কেবল শেয়ার করার কারণেই কাচুকে আসামির তালিকায় তুলে আনা হয়েছে বলে মনে করছেন রাজশাহীর সচেতন সাংবাদিক সমাজ।

​সংবাদকর্মীরা জানান, "একজন ভুক্তভোগীর দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎকার শেয়ার করার অপরাধে একজন সাংবাদিককে সাজানো মামলায় ফাঁসানো স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর চরম আঘাত। ভিডিওটি দেখলেই এবং এতে উল্লিখিত ব্যক্তিদের অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করলেই আসল সত্য বেরিয়ে আসবে।"

​সংবাদিক মহল থেকে অবিলম্বে মামুনুর রশীদ কাচুর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অসত্য অভিযোগ প্রত্যাহার ও তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।


বুড়িগঙ্গা

Buriganga Television is committed to delivering research-based, 
fact-driven, and impartial journalism on the geopolitical economy of the 
Indo-Pacific and the future of humanity to audiences worldwide.

Whatsapp: +8801321780900
Email: burigongatv@gmail.com
Newsroom: newsroom@burigongatv.com

স্বত্ব © বুড়িগঙ্গা মিডিয়া সেন্টার
রাজশাহীতে ফটোসাংবাদিক কাচুকে ফাঁসানোর অভিযোগ: তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভপ্রকাশ
0:00 0:00
1.0x