ঢাকা    সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বুড়িগঙ্গা

দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয় বাড়ছে ২ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা



দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয় বাড়ছে ২ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা
মেট্রোরেল। ফাইল ছবি

ঢাকায় এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্প দুটির প্রাথমিক ব্যয় ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ধরা হলেও সংশোধিত প্রস্তাবে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা। প্রস্তাব দুটি বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এমআরটি লাইন-১ কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পাতালপথে এবং নর্দ্দা থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত উড়ালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০১৯ সালে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। সংশোধিত প্রস্তাবে তা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা। ৩১ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ এ প্রকল্পে ২১টি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৩ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) সাভার থেকে গাবতলী, মিরপুর ও গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত নির্মিত হবে। প্রকল্পটিতে পাতাল ও উড়ালপথের সমন্বয় থাকবে। ২০১৯ সালে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪১ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। সংশোধিত প্রস্তাবে ব্যয় বাড়িয়ে প্রায় ৯৩ হাজার ১৯১ কোটি টাকা করা হয়েছে। ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পে ১৪টি স্টেশন থাকবে। প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় পড়বে প্রায় ৪ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা।

ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানিয়েছে, বিস্তারিত নকশায় পরিবর্তন, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, টাকার অবমূল্যায়ন, প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব এবং বিভিন্ন কারিগরি পরিবর্তনের কারণে প্রকল্প দুটির ব্যয় বেড়েছে।

সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০১৯ সালে প্রকল্পগুলোর প্রাথমিক ব্যয় নির্ধারণের সময় বিস্তারিত নকশা প্রস্তুত ছিল না। পরে নকশা পরিবর্তনের পাশাপাশি নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি ও টাকার অবমূল্যায়নের প্রভাব পড়ে। ২০১৯ সালে প্রতি ডলারের মূল্য প্রায় ৮৪ টাকা ৫০ পয়সা ধরা হলেও ২০২৫ সালে তা বেড়ে প্রায় ১২২ টাকায় দাঁড়ায়। এর সঙ্গে কর-ভ্যাট, ভূমি অধিগ্রহণ, সেবা সংস্থার লাইন স্থানান্তর, পরামর্শক ব্যয় ও নির্মাণকালীন সুদ যুক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকার ঋণের শর্ত এবং দরপত্রে সীমিত প্রতিযোগিতার বিষয়টিও প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, জাপানি কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা সীমিত থাকায় দরপত্রের ব্যয় বেড়েছে।

প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে অর্থায়ন করছে জাইকা।

বিষয় : ঢাকা মেট্রোরেল

বুড়িগঙ্গা

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬


দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয় বাড়ছে ২ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ঢাকায় এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্প দুটির প্রাথমিক ব্যয় ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ধরা হলেও সংশোধিত প্রস্তাবে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা। প্রস্তাব দুটি বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এমআরটি লাইন-১ কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পাতালপথে এবং নর্দ্দা থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত উড়ালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০১৯ সালে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। সংশোধিত প্রস্তাবে তা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা। ৩১ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ এ প্রকল্পে ২১টি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৩ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) সাভার থেকে গাবতলী, মিরপুর ও গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত নির্মিত হবে। প্রকল্পটিতে পাতাল ও উড়ালপথের সমন্বয় থাকবে। ২০১৯ সালে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪১ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। সংশোধিত প্রস্তাবে ব্যয় বাড়িয়ে প্রায় ৯৩ হাজার ১৯১ কোটি টাকা করা হয়েছে। ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পে ১৪টি স্টেশন থাকবে। প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় পড়বে প্রায় ৪ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা।

ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানিয়েছে, বিস্তারিত নকশায় পরিবর্তন, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, টাকার অবমূল্যায়ন, প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব এবং বিভিন্ন কারিগরি পরিবর্তনের কারণে প্রকল্প দুটির ব্যয় বেড়েছে।

সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০১৯ সালে প্রকল্পগুলোর প্রাথমিক ব্যয় নির্ধারণের সময় বিস্তারিত নকশা প্রস্তুত ছিল না। পরে নকশা পরিবর্তনের পাশাপাশি নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি ও টাকার অবমূল্যায়নের প্রভাব পড়ে। ২০১৯ সালে প্রতি ডলারের মূল্য প্রায় ৮৪ টাকা ৫০ পয়সা ধরা হলেও ২০২৫ সালে তা বেড়ে প্রায় ১২২ টাকায় দাঁড়ায়। এর সঙ্গে কর-ভ্যাট, ভূমি অধিগ্রহণ, সেবা সংস্থার লাইন স্থানান্তর, পরামর্শক ব্যয় ও নির্মাণকালীন সুদ যুক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকার ঋণের শর্ত এবং দরপত্রে সীমিত প্রতিযোগিতার বিষয়টিও প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, জাপানি কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা সীমিত থাকায় দরপত্রের ব্যয় বেড়েছে।

প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে অর্থায়ন করছে জাইকা।


বুড়িগঙ্গা

Buriganga Television is committed to delivering research-based, 
fact-driven, and impartial journalism on the geopolitical economy of the 
Indo-Pacific and the future of humanity to audiences worldwide.

Whatsapp: +8801321780900
Email: burigongatv@gmail.com
Newsroom: newsroom@burigongatv.com

স্বত্ব © বুড়িগঙ্গা মিডিয়া সেন্টার
দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয় বাড়ছে ২ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা
0:00 0:00
1.0x