জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরুর মাংস রান্নাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন সম্পাদক হাবিব মোহাম্মদ ফারুকের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন জজ কোর্টের আইনজীবী আবদুল হান্নান হৃদয়। ‘পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’-এর সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেছেন, ঘটনাটি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে না হওয়ায় আইনের ব্যতিক্রমী বিধানের আওতায় পড়তে পারে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আবদুল হান্নান হৃদয় এ অবস্থান জানান।
পোস্টে তিনি ‘পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’-এর ৩ ধারার উল্লেখ করেন। ওই ধারায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিক্রির জন্য জবাইখানার বাইরে পশু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে ঈদসহ ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান এবং পারিবারিক ভোজের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে জবাইখানার বাইরে পশু জবাইয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণ রোধ এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে বর্জ্য অপসারণের শর্তও রয়েছে।
আবদুল হান্নান হৃদয় তাঁর পোস্টে দাবি করেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাটি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়নি; বরং সামাজিক অনুষ্ঠান হিসেবে পশু জবাই করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যথাযথ পদ্ধতিতে বর্জ্য অপসারণের সুযোগ থাকায় সংশ্লিষ্ট আইন সম্পাদক আইনি সুরক্ষা পাবেন বলেও তিনি মনে করেন।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, আইনি সহায়তা নিয়ে জকসুর আইন সম্পাদক হাবিব মোহাম্মদ ফারুকের পাশে থাকবেন।