সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থার মান বাড়াতে দিনের পর দিন কাজ করে যাচ্ছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব আব্দুল কাদের বিশ্বাস। তাঁর সততা,কঠোর পরিশ্রম আর সহজ-সরল ব্যবহারের কারণে এলাকার শিক্ষাঙ্গনে দারুণ এক পরিবর্তন এসেছে।
তিনি উল্লাপাড়া উপজেলার প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়,কলেজ ও মাদ্রাসা নিয়মিত পরিদর্শন করেন। স্কুলে গিয়ে তিনি শুধু নিয়মকানুন দেখিয়েই চলে আসেন না,বরং সরাসরি ক্লাসে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কথা বলেন,তাদের পড়াশোনার খোঁজ নেন এবং তাদের উৎসাহিত করেন। শিক্ষকদের সাথেও তিনি বন্ধুর মতো মিশে লেখাপড়ার মান কীভাবে আরো ভালো করা যায়, সেই বিষয়ে পরামর্শ দেন। উল্লাপাড়ার পাশাপাশি তিনি পার্শ্ববর্তী তাড়াশ উপজেলায়ও 'অতিরিক্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা' হিসেবে খুব দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। আব্দুল কাদের বিশ্বাসের কাজের বিষয়ে জানতে উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করা হয়। এই সময়ে উল্লাপাড়া জহুরা মহিউদ্দিন খান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,বালসাবাড়ি হাজী আমিনুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় ও উল্লাপাড়া বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষকদের সাথে কথা বললে তারা জানান,আব্দুল কাদের বিশ্বাস স্যার খুব পরোপকারী,সৎ ও দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা। স্কুলের যেকোনো প্রয়োজনে বা সমস্যায় তিনি অভিভাবকের মতো পাশে এসে দাঁড়ান। একইভাবে তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যোগাযোগ করা হলে তাড়াশ মহিলা কলেজ ও তাড়াশ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষকেরাও একই কথা জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তাড়াশের কাজ সামলালেও তিনি খুব আন্তরিকতার সাথে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের খোঁজখবর রাখেন এবং শিক্ষার পরিবেশ ভালো রাখতে নিয়মিত পরিদর্শন ও পরামর্শ দেন। স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি বাড়ানো, ঝরে পড়া আটকানো, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান জোরদার করার পাশাপাশি শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে তিনি বিশেষ নজর দিচ্ছেন। দুই উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থা একসাথে সামলানো কঠিন কাজ হলেও,তাঁর সঠিক পরিকল্পনা ও কঠোর পরিশ্রমের কারণে দুই উপজেলাতেই শিক্ষা বিভাগের কাজে দারুণ গতি এসেছে। স্থানীয় শিক্ষক, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মতে, আব্দুল কাদের বিশ্বাসের মতো একজন পরিশ্রমী, সৎ ও পরোপকারী কর্মকর্তা পাওয়ায় উল্লাপাড়া ও তাড়াশের মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় এক নতুন আশার আলো দেখা দিয়েছে।