সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে এমপির গাড়ি ভাঙচুর মামলাকে কেন্দ্র করে হয়রানির অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মো. তমাল সরকার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে নিজেই থানায় আত্মসমর্পণের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। তবে থানায় যাওয়ার পথে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ধানগড়াবাসীকে হয়রানি ও অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যেই তমাল সরকার স্বেচ্ছায় আইনের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য, তমাল সরকারের স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ তাঁর আইনের প্রতি আস্থা ও শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ। তারা দাবি করেন, মামলায় তাদের পক্ষের লোকজনকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং প্রকৃত ঘটনা সঠিকভাবে তদন্তের মাধ্যমে তুলে ধরা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের আরও দাবি, মরহুম নূর-সাঈদ সরকারের সুযোগ্য ভাতিজা হিসেবে তমাল সরকার এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। ধানগড়াবাসীকে হয়রানি থেকে রক্ষা করতে তাঁর এই সিদ্ধান্তকে তারা ত্যাগ হিসেবে দেখছেন।
এদিকে তমাল সরকারের পরিবার ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে মামলাটির দ্রুত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা দ্রুত উদঘাটিত হবে এবং কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন।
একই সঙ্গে তমাল সরকারের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।
তাদের বক্তব্য, “মামলা দিয়ে হয়রানি নয়, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক।”