নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পী খোঁজার উদ্যোগ রিয়েলিটি শো ‘ফেস অব টুমরো’র প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এম এইচ এস লাবণ ও রাইসা সুলতানা। চ্যাম্পিয়ন জুটি পেয়েছেন ৫ লাখ টাকা পুরস্কার। প্রথম রানার্সআপ শৌমিক ও সিফনা পেয়েছেন ৩ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় রানার্সআপ তমাল ও মুনমুন পেয়েছেন ১ লাখ টাকা।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৫ হাজার ৪৭১ জন প্রতিযোগীর মধ্য থেকে কয়েক ধাপের অডিশন, মূল্যায়ন, প্রশিক্ষণ ও সিনেমেটিক বুটক্যাম্প শেষে নির্বাচিত হন সেরা ২০ প্রতিযোগী। বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন নির্মাতা অনিমেষ আইচ, অভিনেত্রী নাজনীন হাসান চুমকী ও রিচি সোলায়মান।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান মার্কেটার্স ৩৬০ ডিগ্রি জানিয়েছে, ফেস অব টুমরো শুধু একটি প্রতিযোগিতা আয়োজনেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। নির্বাচিত ২০ প্রতিযোগীদের নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ‘চলো ঘুরে আসি’ প্রকল্পের আওতায় নির্মিতব্য এই ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে থাকছে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল, মানুষ, সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও জীবনযাপনের গল্প। প্রতিটি গল্পের জন্য থাকছে আলাদা নির্মাতা, চরিত্র এবং আলাদা নির্মাণভাবনা। স্বল্পদৈর্ঘ্যগুলো নির্মাণ করবেন কচি খন্দকার, মাহমুদা সুলতানা রীমা, জাহিদ প্রীতম, প্রীতি দত্ত, আলোক হাসান, মাইদুল রাকিব, শ্রাবণী ফেরদৌস, মুহাম্মাদ মিফতাহ আনান, ইফতেখার ইফতি ও রিজওয়ানুল ইসলাম সানজিদ। ফেস অব টুমরোর বিজয়ীদের সঙ্গে স্বল্পদৈর্ঘ্যগুলোতে অভিনয় করবেন পেশাদার অভিনয়শিল্পীরা।
আয়োজকেরা আরও জানিয়েছেন, ফেস অব টুমরোকে তাঁরা কেবল একটি প্রতিযোগিতা হিসেবে নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদি আর্টিস্ট ডেভেলপমেন্টের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চান। প্রশিক্ষণ, বাস্তব কাজের সুযোগ এবং পেশাদার প্রযোজনার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের শিল্পী হিসেবে গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে নিয়মিত কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।