শ্রম আইন অনুযায়ী পাওনা নির্ধারণ, বকেয়া পরিশোধ এবং কারখানা চালুর দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন লিথি গ্রুপের ৫টি কারখানার সর্বস্তরের শ্রমিকবৃন্দ। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১:০০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকায় এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেন, শ্রম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলেও শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণ না করে অন্যায়ভাবে কারখানাগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।
০৬ জুলাই ২০২৬:শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে মালিকপক্ষ ও শ্রমিকদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
২৩ জুলাই ২০২৬: শ্রম মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শ্রমিকদের পাওনা নির্ধারণের মিটিং নির্ধারিত থাকলেও তা পরবর্তীতে বাতিল করা হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬: শিল্প পুলিশ-২, গাজীপুর কার্যালয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তথাকথিত "সমঝোতা"-র নামে শ্রমিকদের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হয় বলে শ্রমিকরা অভিযোগ করেন।
২৬ জুলাই ২০২৬: সমঝোতার নামে শ্রমিকদের প্রত্যাখ্যাত প্রস্তাবনার দলিল শ্রমিকের ওপর চাপানোর অপচেষ্টা বন্ধ করা এবং প্রতারণার দলিলে স্বাক্ষরকারী সরকারি কর্মকর্তাদের বিচারের দাবি জানানো হয়।
২৯ জুলাই ২০২৬:শ্রমিকরা পূর্বের চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় ন্যায্য পাওনা নির্ধারণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে শ্রমিকদের প্রধান দাবি:
১. শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নির্ধারণ ও সম্পূর্ণ পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে।
২. প্রতারণামূলক চুক্তি ও বকেয়া না দিয়ে কারখানা বন্ধ রাখার চক্রান্ত বন্ধ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন,"শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে। শ্রমিক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, ন্যায়বিচার পেলে দেশ এগিয়ে যাবে।"তারা শ্রম মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করে দ্রুত তাদের ন্যায্য পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানান।
আয়োজনে:
লিথি গ্রুপের ৫টি কারখানার সর্বস্তরের শ্রমিকবৃন্দ
(অ্যাপারেলস-২১ লিঃ, ফকমক ফ্যাশনস লিঃ (আরএমজি), ফকমক ফ্যাশনস লিঃ (প্রিন্টিং), ফকমক প্রিন্টিং লিমিটেড, ফকমক ফ্যাশন লিঃ (সিটিং ডিভিশন))