রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে থাইল্যান্ডে ব্যক্তিগত সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এক সপ্তাহ বিদেশে থাকায় তিনি কিছুই জানেন না।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি। তিনি জানান, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে দেশে ফিরেছেন তিনি।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্পিকার।
স্পিকার বলেন, তিনি দেশের বাইরে ছিলেন। ফলে এ সময়ে দেশে কী ঘটেছে বা রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, সে সম্পর্কে তার জানা নেই। দেশে ফিরে এখন বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনবঙ্গভবন ছেড়ে কোথায় উঠছেন সাহাবুদ্দিন, জানা গেল
তিনি জানান, মূলত চিকিৎসা ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে ব্যাংককে গিয়েছিলেন তিনি। নির্ধারিত সময়ের আগেই সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হওয়ায় দুদিন আগে দেশে ফিরে এসেছেন।
তবে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী কী ধরনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন স্পিকার। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে তাকে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে।
অন্তর্বর্তী সময়ে দায়িত্ব পালনের বিষয়েও সংবিধানের বিধান তুলে ধরেন স্পিকার বলেন, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি পদত্যাগ করলে স্পিকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।