বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা স্থাপনের অভিযোগে অভিযুক্ত ক্যান্টিনকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ক্যাম্পাসে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ডিজিটাল আলামত জব্দ করা হয়েছে, যেগুলো ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, গোপনে ধারণ করা কোনো ভিডিও সংরক্ষণ বা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
এদিকে অভিযুক্তের স্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিনি ঘটনাস্থলে এসে উত্তেজনাকর আচরণ করেন এবং ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। তবে এ অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তাধীন এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি পুলিশ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।