বিরলে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে চেক বিতরণ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যান পরিষদ কর্তৃক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীয় সম্প্রাদয়ের দুস্থ ব্যক্তিদের এবং মহাবিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের চেক বিতরণ, প্রতিবন্ধি ব্যক্তিদের পরিচয়পত্র (সুবর্ণ নাগরিক কার্ড বিতরণ এবং মৎস্য বিভাগ কর্তৃক (মাছের খাদ্য, সাইনবোর্ড ও ৪টি এব্রোটর বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকালে বিরল উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-২ (বিরল- বোচাগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল ইসলাম এর সভাপতিত্বে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার রাজুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মৎস্য অফিসার আবুল কালাম আজাদ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাবুল হোসেন, অফিসার ইনচার্জ মোঃ আল এমরান, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. পার্থ জ্বীময় সরকার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আরিফ ইকবাল, বিরল প্রেস ক্লাব সভাপতি আতিউর রহমান, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদুল হক হিরা, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রেজাউল ইসলাম বাদশা, ফিরোজ হোসেন, সাদেক আলী, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজা বেগম সোনা, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দিনাজপুর জেলা শাকার সাধারণ সম্পাদক ইমরুল হাসান রাজিব, উপকারভোগী শিক্ষার্থী রুমা টুডু, এথিলিস সরেন, উপকারভোগী মৎস্যচাষী মানিক শাহ।
অনুষ্ঠানে ৪৫ জন দুস্থ ব্যক্তিদের এবং মহাবিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যায়নরত ৯৪ জন শিক্ষার্থীদের চেক বিতরণ, প্রতিবন্ধি ব্যক্তিদের পরিচয়পত্র (সুবর্ণ নাগরিক কার্ড বিতরণ এবং মৎস্য বিভাগ কর্তৃক ১১ জনের মাঝে মাছের খাদ্য ও সাইনবোর্ড এবং ০৪ জনের মাঝে ০৪টি এরোটর বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক বলেন, পড়াশোনা এমন একটা সম্পদ, এই সম্পদ কখনও কেউ কারো নিকট কেড়ে নিতে পারে না। আপনার গাড়ী, বাড়ী, অর্থ যে কেউ যে কোন সময় কেড়ে নিতে পারে, কিন্তু আপনার বিদ্যা একান্তই আপনার। আপনাদের শিক্ষা গ্রহণে যে কোন ধরণের সহযোগিতায় সবসময় আমার দরজা খোলা। আপনারা নির্ভয়ে আমাকে আপনাদের সুবিধা অসুবিধার কথাগুলো জানাবেন। নির্দ্বিধায় আপনারা আমার কাছে আসবেন। আপনারা কেউ অবহেলার শিকার হবেন না। এখানে যে কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত আছেন সকলে বাংলাদেশ সরকারের কাজে নিয়োজিত। আপনাদের সেবা প্রদানে উনারা কখনই পিছু পা হোন না। আপনারা আপনাদের কাঙ্খিত সেবা উনাদের দপ্তর থেকেও গ্রহণ করবেন। আর শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া শিখে দেশের জন্য দায়িত্ব নিতে হবে, পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে, বাবা-মায়ের ভোরণ পোষণ করতে হবে।