‘আমাদের ক্যাম্পাস আমরাই গড়বো’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে (জবি) শিক্ষার্থীবান্ধব, নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও শিক্ষার্থী সংযোগ কর্মসূচি পালন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। সংগঠনের দ্বিতীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমির নেতৃত্বে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও নেতাকর্মী অংশ নেন।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দিনব্যাপী সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও শিক্ষার্থী সংযোগ কর্মসূচি পালন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।
সংগঠনের দ্বিতীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমির নেতৃত্বে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ, বিভাগ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শিক্ষার্থীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে একটি আধুনিক, সবুজ, মানবিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। সেই নতুন বাংলাদেশের চেতনা ধারণ করেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল শুরু থেকেই একটি শিক্ষার্থীবান্ধব, নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র নয়, এটি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে ওঠার অন্যতম ক্ষেত্র। তাই এই ক্যাম্পাসকে নিরাপদ, সবুজ ও সবার জন্য বাসযোগ্য রাখা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, নিরাপদ ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলা কেবল প্রশাসন বা কোনো একটি সংগঠনের দায়িত্ব নয়; এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যৌথ দায়িত্ব। সচেতনতা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমেই আমরা একটি আদর্শ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারি। আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ ও মানবিক ক্যাম্পাস বিনির্মাণে একসঙ্গে কাজ করি।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী অংশ নেন। আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।