কক্সবাজারের টেকনাফে মোটরসাইকেলে অভিনব কৌশলে লুকিয়ে ইয়াবা পাচারের সময় ১৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. রশিদ আহমদের ছেলে মো. আমান উল্লাহ (২০) এবং আব্দুস সালামের ছেলে নাজিম উদ্দিন (২০)।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই ২০২৬) উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটে টেকনাফ থেকে শাপলাপুরগামী একটি মোটরসাইকেল শীলখালী চেকপোস্টে পৌঁছালে কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যরা সন্দেহের ভিত্তিতে সেটির তল্লাশি চালান। এ সময় বিজিবির প্রশিক্ষিত নারকোটিক্স ডগ ‘হেনরি’ মোটরসাইকেলের তেলের ট্যাংকের নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ইয়াবার অবস্থান শনাক্ত করে।
পরে তল্লাশি চালিয়ে মোটরসাইকেলের ভেতর থেকে ৮টি মিনি কেটে রাখা অবস্থায় মোট ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই মোটরসাইকেলের চালক আমান উল্লাহ ও আরোহী নাজিম উদ্দিনকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা বিজিবিকে জানান, তারা টেকনাফ থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে শাপলাপুরে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
বিজিবি জানায়, উদ্ধার হওয়া ইয়াবা, জব্দকৃত মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনসহ আটক দুই আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, “মাদকের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত চক্রকে শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিকভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে আসছে।